কিশোরগঞ্জ অষ্টগ্রামে বাইক এক্সিডেন্ট করে নিহত-১
কিশোরগঞ্জ অষ্টগ্রামে বাইক এক্সিডেন্ট করে নিহত-১
কিশোরগঞ্জ অষ্টগ্রামে বাইক এক্সিডেন্ট করে নিহত-১
শাহিন মিয়া, কিশোরগঞ্জঃ
কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলায় বাইক এক্সিডেন্ট করে একজন নিহত ও আরো ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন,
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধার সময় হেমন্ড চন্দ্র দাস ও সাধন দেব নাথ অষ্টগ্রাম জিরো পয়েন্ট রাস্তায় হাটতে বের হন, তখন মিঠামইন থেকে আসা একটি বাইক চালকও আরোহী সহ হেমন্ড চন্দ্র দাস ও সাধন দেব নাথের উপর উঠে পড়ে, তখন হেমন্ড চন্দ্র দাস মৃত্যু বরন করেন ও সাধন দেব নাথ গুরুতর আহত হন।
তখন বাইক চালকও আরোহী ছিটকে গিয়ে মারাত্মক আঘাত প্রাপ্ত হন, খবর পেয়ে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশ এস আই রিপন কুমার পাল ঘটনা স্থলে গিয়ে নিহত এবং আহত ব্যাক্তিদের উদ্ধার করে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। বাইক চালকও আরোহী পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন আছেন চালক, সোলায়মান মিয়া(২০) পিতা মৃত আব্দুল ছাত্তার আরোহী, সায়মন মিয়া,(১৯) পিতা মো: দুলাল মিয়া চালক ও আরোহী বলেন উনারা মিঠামইন রাজমিস্ত্রী কাজ করেন, উনারা ৬০০ টাকা দিয়ে একটি বাইক ভাড়া করে মিঠামইন থেকে অষ্টগ্রাম ঘুরতে আসেন,তখন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত হেমন্ড চন্দ্র দাস, বয়স (৭০) পিতা মৃত, সুরেন্ড চন্দ্র দাস, বাড়ি মসজিদ জাম, দাস পাড়া,, অষ্টগ্রাম কিশোরগঞ্জ,
আহত সাধন দেব নাথ (৩৪)পিতা সুকান্ত দেব নাথ, বাড়ি মসজিদ জাম, অষ্টগ্রাম কিশোরগঞ্জ
এই বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানা অফিসার ইনচার্জ মো: রুকুনুজ্জামান বলেন,চালাক ও আরোহী দুজনই পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন আছে,এবং রুট এক্সিডেন্ট মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, আমারা দ্রুত আইন অনুযায়ীব্যবস্থা গ্রহণ করব।
Related Articles
দুঘর্টনা
বান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে মাদ্রাসাছাত্র ও স্কুলের দপ্তরির মৃত্যু !
বান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে মাদ্রাসাছাত্র ও স্কুলের দপ্তরির মৃত্যু !
দুঘর্টনা
একই নারীর সঙ্গে প্রেম ও বিরোধের জেরে ভাগ্নের হাতে মামা খুন !
Article excerpt text goes here to give readers a preview of the full story content.
দুঘর্টনা
বুড়িচংয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১ জনসহ আহত-১৫
Article excerpt text goes here to give readers a preview of the full story content.
দুঘর্টনা
বুড়িচং গাছের ডাল কাটতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু !
Article excerpt text goes here to give readers a preview of the full story content.
মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মতামত দিন।
মন্তব্য করুন