সরকারি বিধি জেনেও প্রিপেইড মিটার-সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা ব্যাহতের শঙ্কা
সরকারি বিধি জেনেও প্রিপেইড মিটার, সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা ব্যাহতের শঙ্কা
ইব্রাহিম খলিল, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
সরকারি বিধি অনুযায়ী বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের ব্যবস্থা থাকলেও আগাম টাকা রিচার্জের বাধ্যবাধকতায় বিপাকে পড়েছে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। দ্রুত সমাধান না হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগে হাসপাতালের বৈদ্যুতিক মিটার, এমসিপি ট্রান্সফরমার পুড়ে যায়।
পরে বিদ্যুৎ বিভাগের সহযোগিতায় অস্থায়ীভাবে সংযোগ চালু করা হয় এবং এ সময় পোস্টপেইডের পরিবর্তে প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান, সরকারি হাসপাতালে আগাম রিচার্জের কোনো সুযোগ নেই।
বিষয়টি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিতভাবে জানানো হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।
সীতাকুণ্ডে ৫ লাখ মানুষের প্রাণের হাসপাতাল আজ বিদ্যুতের ফাঁদে আটক!
সরকারি হাসপাতালের বিল কিভাবে পরিশোধ হয়, তা বিদ্যুৎ বিভাগ জানে ও জানে না?
তারপরও সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স একমাত্র সরকারি হাসপাতাল ৪/৫ লাখ মানুষের জন্য চিকিৎসা সেবা দান প্রতিষ্ঠান।
সে সেবা ঝুঁকি পূর্ণ করে বসানো হয়েছে প্রিপেইড মিটার। যেখানে প্রতিদিন সেবা নিতে ছুটে আসে সল্প আয়ের জনগন ও মহাসড়কে দুর্ঘটনা কবলিত মারাত্মক রোগীরা।
সরকারি নিয়মে হাসপাতাল আগাম টাকা রিচার্জ করতে পারে না। বরাদ্দ আসবে, বিলের কপি হিসাবরক্ষণ অফিসে যাবে, তারপর বিল পরিশোধ—এটাই সরকারি আর্থিক বিধান।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ১৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় UHFPO ৭০০০ হাজার টাকা ঋণ করে ঢুকিয়ে বিদ্যুৎ মিটার চালু করা হয়।
এভাবে হলে মাঝরাতে টাকা শেষ হলে OT বন্ধ, জরুরি বিভাগ অন্ধকার, ভ্যাকসিন ফ্রিজ, অক্সিজেন বন্ধ! এজমা ও শিশুর নেবুলাইজ বন্ধ ।
জরুরী মুহূর্তে জেনেরেটর দিয়ে চালিয়ে নিবে তাও সম্ভব না কারণ দীর্ঘ দিন পর্যন্ত নষ্ট হয়ে পড়ে আছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়
তাছাড়া হাসপাতালে জনবল সংকট, এক্সরে মেশিন অলস পড়ে আছে টেকনিশিয়ানের অভাবে। জরুরী বিভাগে আবাসিকে ও অফিসে লকোবল সংকট।
ল্যাব টেকনিশিয়ান সংকট এক রুমে স্যাম্পল কালেকশন ও টেস্ট বা পরিক্ষা যা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এত সংকটের মধ্যে প্রিপেইড মিটার সংকট মারাত্মক।
UHFPO ডা. শাব্বির আহমদ প্রিন্স জানান ২ কর্মকর্তা ও সচিবকে চিঠি দিয়েছেন, আজ পর্যন্ত কোনো জবাব নেই।
বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল হক বলছেন, পোস্টপেইড দিতে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগবে। তাহলে অনুমতি ছাড়া প্রিপেইড বসানোর অনুমতি কে দিল?
৪/৫ লাখ মানুষের একমাত্র সরকারি হাসপাতাল নিয়ে এই ছিনিমিনি বন্ধ করুন। সর্বসাধানের দাবি অবিলম্বে পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপন করুন।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, ৫ লাখ জনগোষ্ঠীর একমাত্র সরকারি হাসপাতালে এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত কেন ? একজন সহকারী প্রকৌশলী কি পুরো উপজেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারেন?
Related Articles
জাতীয়
চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত
Article excerpt text goes here to give readers a preview of the full story content.
জাতীয়
দূর্গাপূজা উপলক্ষে লাকসামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে মতবিনিময় সভা
Article excerpt text goes here to give readers a preview of the full story content.
জাতীয়
লাকসামে ধানখেত থেকে অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার
Article excerpt text goes here to give readers a preview of the full story content.
জাতীয়
অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান
অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান
মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মতামত দিন।
মন্তব্য করুন