● Breaking
কুমিল্লায় জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্যদের শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ইমারত পরিদর্শক মুরাদ আলীর ‘আলাদিনের চেরাগ’:অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির পাহাড় ! জাতীয় মেধা মূল্যায়ন বৃত্তি পরীক্ষায় কুমিল্লায় ৫ হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহন বুড়িচংয়ে পুলিশের অভিযানে ৫ কেজি গাঁজাসহ আটক-৫ বুড়িচংয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১ জনসহ আহত-১৫ বুড়িচং গাছের ডাল কাটতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু ! রক্তমাখা নবজাতক কন্যাসন্তানকে অন্যের জিম্মায় রেখে পালিয়েছে মা
জাতীয়

গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ইমারত পরিদর্শক মুরাদ আলীর ‘আলাদিনের চেরাগ’:অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির পাহাড় !

By Sarah Mitchell, Priya Raman, James Okafor, Elena Vasquez and Associated Press · · 1 min read
গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ইমারত পরিদর্শক মুরাদ আলীর ‘আলাদিনের চেরাগ’:অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির পাহাড় !

গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ইমারত পরিদর্শক মুরাদ আলীর

‘আলাদিনের চেরাগ’:অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির পাহাড় !



মোঃ জয়, গাজীপুর:


গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (গাউক)-এর ইমারত পরিদর্শক মো. মুরাদ আলী খানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, নকশা অনুমোদন বাণিজ্যের মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণ এবং নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ একজন দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হয়েও তার এই অস্বাভাবিক সম্পদের পাহাড় গড়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২০ সালে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠিত হওয়ার পর রাজউক থেকে প্রেষণে মুরাদ আলীকে গাজীপুরে বদলি করা হয়। দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময় ধরে চাকরিকালীন সময়ে তার মূল বেতন এবং ভাতাদি মিলে আয় সীমিত হলেও, তার বিরুদ্ধে গড়ে উঠেছে আলিশান বাড়ি, ফ্ল্যাট এবং রিয়েল এস্টেট ব্যবসা।


নকশা অনুমোদন ও ‘এম’ চিহ্নের রহস্য: ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদনের প্রতিটি ফাইলে একটি বিশেষ চিহ্ন বা 'এম' (M) লিখে দিতেন মুরাদ আলী। এই বিশেষ চিহ্ন ছাড়া কোনো ফাইলই কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেত না। এই 'এম' চিহ্নটিই ছিল তার ঘুষ লেনদেনের গোপন সংকেত, যার মাধ্যমে তিনি ভবন মালিকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের উৎকোচ আদায় করতেন।


সম্পদের বিবরণ: অভিযোগ রয়েছে, মুরাদ আলীর স্ত্রী রোকসানা পারভিন (যিনি একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির পরিচালক), বাবা এবং অন্যান্য ঘনিষ্ঠজনদের নামে গাজীপুর চৌরাস্তা, নলজানী গ্রেট ওয়াল সিটি বাজার এলাকা, এবং শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একাধিক প্লট, ফ্ল্যাট ও বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে। যার বাজারমূল্য শত কোটি টাকারও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে একাধিক বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও জমি, যা বিভিন্ন কৌশলে আত্মীয়স্বজনের নামে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে যেন সরাসরি তার নাম না আসে।


পূর্বে বিভাগীয় শাস্তি ও দুর্নীতি অব্যাহত: সূত্র জানায়, এর আগেও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তিনি একাধিকবার সাময়িক বরখাস্তসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শাস্তি পেয়েছেন। কিন্তু দুর্নীতির পথ থেকে তিনি সরে আসেননি। রাজউকে থাকাকালীনও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ছিল।


এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইমারত পরিদর্শক মুরাদ আলী খানের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে সন্তোষজনক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এদিকে সচেতন মহল ও স্থানীয়রা গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করলে আরও বড় ধরনের দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Related Articles

মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মতামত দিন।

মন্তব্য করুন