যে কোনো সময় ‘যুদ্ধ’ বেধে যেতে পারে রাশিয়া-ন্যাটোর মধ্যে

রাশিয়া ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক জো’ট ন্যাটোর মধ্যে যে কোনো সময় ‘যুদ্ধ বেধে যেতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন পো’ল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিগনিও রাও। তার মতে গত ৩০ বছরের মধ্যে যু’দ্ধ বাধার সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইউ’ক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য করা নিয়ে রাশিয়া ও ন্যাটোর

মধ্যে কয়েকদিন ধরে অস্থিরতা চলছে। চলমান অস্থিরতা দূর করতে বৃহ’স্পতিবার ভিয়েনায় বৈঠকে বসে দুই পক্ষ। তবে আলোচনা শেষে রাশিয়ার প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন,আ’লোচনা ব্যর্থ’ হয়েছে। এরপরই পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউরোপে যু’দ্ধ বেধে যাওয়ার

আশঙ্কা করেন। তিনি জানিয়েছেন তারা আশা করছেন পুরো বিষয়টি শান্তি বজায় রেখে সমাধান করা হবে। পোল্যান্ডের পররাষ্টমন্ত্রী জিগনিও রাও বলেন,যা মনে হচ্ছে ৩০ বছরের মধ্যে ওএ’সসিই অঞ্চলে যু’দ্ধ বাধার

সবচেয়ে বড় ঝুকিতে আছে।গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পূর্ব ইউরোপে বড় ধরনের সা’মরিক সং’ঘাতের আশঙ্কায় আছি আমরা। আমাদের ইউ’ক্রেন সমস্যাটি শান্তি বজায় রেখে সমাধান করার দিকে নজর দেয়া উচিত। ই’উক্রেন

ন্যাটোর সদস্য হওয়ার ই’চ্ছা পোষণ করার পরই বেশ চিন্তিত হয়ে পড়ে রাশিয়া। তারা ই’উক্রেন সীমান্তে প্রায় এক লাখ সৈন্য মোতায়েন করে। এরপর ন্যাটোর কাছে দাবি করে বলে, রা’শিয়াকে নিশ্চয়তা দিতে হবে ইউক্রেনকে কখনো ন্যাটোর সদস্য করা হবে না। সঙ্গে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের যে দেশগুলোতে ন্যাটোর

সৈন্যরা আছে সেখান থেকে তাদের প্রত্যাহার করে নিতে হবে। উ’ত্তেজনা নিরসনে ব্রাসেলস ও ভিয়েনায় দুই দফা আলোচনা হয়। রা’শিয়ার মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ বলেছেন, কিছু ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তারা চান বা’স্তবসম্মত ফলাফল। রাশিয়া ইউক্রেন আ’ক্রমণ

করতে পারে এমন আ’শঙ্কা করা হলেও রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইউ’ক্রেন আ’ক্রমণ করার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই। তবে তারা সঙ্গে এও জানিয়েছে,

নিজেদের নি’রাপত্তার জন্য সীমান্তে সৈন্য মোতায়েন করে রাখবে। তাছাড়া কোন ফলপ্রসু সমাধান না পেলে ও রাশিয়া যদি মনে করে বিষয়গুলো তাদের জন্য হুমকিস্বরূপ তাহলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। সূত্র: আল জাজিরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *