শিশুর মুখে গামছা বেঁধে ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক

সিরাজগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন। সোমবার (২২ নভেম্বর) সকালে গোয়েন্দা তথ্য এবং প্রযুক্তির সাহায্যে ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নাটোরের সিংড়া থানার ঠেংগা পাকুরিয়া গ্রামের খলিল (৫৫)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তাছাড়া খলিলকে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‌্যাব-১২-এর মিডিয়া অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান প্রতিদিনের সংবাদকে জানিয়েছেন।

র‌্যাব জানায়, গত ৮ নভেম্বর মেয়েটি তাড়াশ থানার বারুহাস বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে আসামির হাতে থাকা প্লাস্টিকের দুধের বোতল স্থানীয় শরিফ চৌধুরীর বাড়িতে পৌঁছে দিতে বলে। শিশু বোতল নিয়ে ওই বাড়িতে যায়। সেখানে কোনো লোকজন ছিল না—এ কথা ধর্ষক জানতেন। তাই তিনিও শিশুটির পিছু নিয়ে ওই বাড়িতে যান। এ সময় শিশুর মুখে গামছা বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।অভিযুক্ত খলিল পালিয়ে গেলেও মেয়েটির পরিবার তাড়াশ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

আরও পড়ুন=বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আজকে আইনের যারা ব্যাখ্যা দেয় তারা বেআইনিভাবে সরকারে আছে। বাংলাদেশের সংবিধানমতে এই সরকারের আইনগত কোনো ভিত্তি নেই।সোমবার (২২ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ’ এদেশের

জনগণ বলে আপনাদেরও ক্ষমতায় থাকার সুযোগ নেই। কারণ আপনারা জনগণের ভোটে আসেননি। নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছেন, গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়েছেন। তাই আপনাদের মুখে আইনের ভাষা বেমানান। বেআইনিভাবে ক্ষমতায় আছেন। সুতরাং আমরা বলবো ন্যায়ের পথে চলেন আর আইনের পথে চলেন, খালেদা জিয়াকে নিশর্ত মুক্তি দিয়ে প্রমাণ করুন, খালেদা জিয়ার প্রতি আপনাদের কোনো হিংসাবিদ্বেষ নেই। তা নাহলে খালেদা জিয়ার অনুসারীরা জীবন এবং রক্ত দিতে অভ্যস্ত। জেল-জুলুম হুলিয়ার

পরোয় বাংলাদেশের জনগণ করে না, আমরাও করি না। সে কারণে সহজভাবে আবার বলছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন, তাতে যত বিলম্ব করবেন বিড়ম্বনা তত বাড়বে। জনগণের মুখ বন্ধ রাখতে পারবেন না। রাজনীতির গতিতে সহজভাবে চলতে দিন।তিনি বলেন, আমরা আমাদের নেত্রীর নিশর্ত মুক্তি চাই, তার চিকিৎসা চাই। তিনি মুক্তি পেলেই তাকে চিকিৎসা করাতে পারবো। এই চিকিৎসায় বাধা সরকারের অনৈতিক, সরকারের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের প্রকাশ। চিকিৎসায় বাধা দেওয়া অর্থ খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে মারার চক্রান্ত। এই চক্রান্ত রোখার জন্য আমরা আন্দোলন করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *