চীনকে ঠেকাতে কোয়াডের পরবর্তী গন্তব্য এবার জাপান

জাপান আগামী বছর কোয়াডের একটি বৈঠক আয়োজন করতে সম্মত হয়েছে। এই গোষ্ঠীর রাষ্ট্রনেতাদের এটি দ্বিতীয় ব্যক্তিগত বৈঠক হতে চলেছে সা’ম্প্রতিক সময়ের মধ্যে। শুক্রবার হোয়াইট হাউজের ইন্দো-প্যাসিফিক সমন্বয়কারী কার্ট ক্যা’ম্পবেল এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান নিয়ে গঠিত এই চার-দেশীয় গোষ্ঠীকে কোয়াড্রিল্যাটারাল নিরাপত্তা সংলাপ বলা হয়। মূলত এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের ক্রম’বর্ধমান প্রভাব ঠেকাতে এই গোষ্ঠী গঠিত হয়। ওয়াশিংটন-ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ইউএস

ইনস্টিটিউট অফ পিস-এর একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার সময় হোয়াইট হাউজ কর্তা ক্যাম্পবেল ২০২২ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত হতে চলা কোয়াড বৈঠকের ধরণ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেননি। তবে, জাপান টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বৈঠক আগামী

বছরের বসন্তের প্রথম দিকে অনুষ্ঠিত হতে পারে। ক্যাম্পবেল অনুষ্ঠানে আরও জানান যে ভারত কোয়াডের একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ সদস্য এবং ওয়াশিংটন নয়াদিল্লির সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। ক্যাম্পবেল বলেন, ‘আমি ভারতের সাথে ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব

উৎসাহী। আমি মনে করি আমরা সবাই স্বীকার করি যে কোয়াডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হল ভারত।’ তিনি যোগ করেন যে ২১ শতাব্দীতে ভারত বিশ্ব মঞ্চে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এশিয়ার ভবিষ্যতের সংজ্ঞা রচনা করতে চলা গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলির তালিকায় শীর্ষে থাকবে ভারত। চীন স:ম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে

হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তা জানান, বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্ধিত সহযোগিতা চীনের কাছে ‘বদহজমের’ কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সো’মবার একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে স্পষ্ট করে দাবি করেন, মিত্র রাষ্ট্রের সঙ্গে মার্কিন সখ্যতা কোল্ড ওয়ারের ইঙ্গিত। এই আবহে তা’ইওয়ান নিয়ে ক্রমেই উত্তাপ বাড়ছে আমেরিকা ও চীনের মধ্যে। আর এই সময়ে জাপানে এই বিষয়ে কোয়াড ভিত্তিক দেশগুলির বৈঠক বেশ তাত্পর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র: টিওআই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *