এসপির সঙ্গে সন্ত্রাসীর বিরল বন্ধুত্ব

পুলিশ সদর দপ্তরে অপরাধ দমন সংক্রান্ত সভায় যোগ দিতে এসে জেলার চিহ্নিত অপরাধীদের সঙ্গে সেলফি তুলেছেন বরগুনার এসপি মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক। ধর্ষণ, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, প্রতারণাসহ বেশ কয়েকটি মামলার একাধিক আসামির সঙ্গে তোলা তার কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় পুলিশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়। তাদের মধ্যে মিলন হাওলাদার নামে একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও প্রতারক এসপির কাঁদে হাত রেখে এমনভাবে ছবি তুলেছেন, যা দেখলে সম্পর্কের গভীরতা সহজেই অনুমান করা যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছবিগুলো শেয়ার করে সন্ত্রাসীরা তাদের প্রবল ক্ষমতার জানান দেয়। জেলার পুলিশপ্রধানের সঙ্গে এই ধরনের ছবি দেখে বরগুনার সুশীলসমাজসহ স্থানীয় জনসাধারণ ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে তার বিষয়ে বিশেষ অনুসন্ধান করা হয়। ওই অনুসন্ধানে এসপি জাহাঙ্গীর হাওলাদারের সদর-অন্দরের অজানা চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য বেরিয়ে আসে।প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশ সুপার মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক গত ১১ সেপ্টেম্বর ক্রাইম কনফারেন্স উপলক্ষ্যে ঢাকায় আসেন। এ সময় বরগুনা জেলার প্রতারক চক্রের লিডার হিসাবে পরিচিত চিহ্নিত সন্ত্রাসী মো. মিলন ওরফে নাকিব উদ্দিন আমিন এসপির সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করেন।

পুলিশ সুপার এবং মিলনের সঙ্গে থাকা আরও ২ সহযোগী মিলে তারা বিভিন্ন আড্ডায় মিলিত হন। দুপুরের খাবারও খান একসঙ্গে। এসব ঘোরাফেরা ও খাওয়াদাওয়ার ছবিও তোলা হয় অনেকটা সাবলীলভাবে। এখানেই শেষ নয়, ওইদিন বেশ কয়েকটি ছবি সন্ত্রাসী মিলন তার ফেসবুক পেজে আপলোডও করেন। সবাই যাতে এই ছবির গুরুত্ব ঠিকঠাক বুঝতে পারেন, সেজন্য ছবির ওপরে সাড়ে চার লাইনের একটা স্ট্যাটাসও লিখে দেওয়া হয়। সেখানে পুলিশ সুপারকে ‘বড় ভাই’ উল্লেখ করে বলা হয়, ‘আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই জাহাঙ্গীর মল্লিক, পুলিশ সুপার, বরগুনা ৫ দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন। তার জন্য দোয়া করবেন। ভাইকে নিয়ে সিটি কমপ্লেক্সে আমরা। এরই নাম ভালোবাসা।’প্রতিবেদনের আরেক স্থানে বলা হয়,

‘মিলন ছাড়াও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত হিসাবে মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হারুন ও শাহীন খানকেও এসপির সঙ্গে খাওয়াদাওয়া করতে দেখা যায়। চিহ্নিত এই সন্ত্রাসী মিলন এসপিকে মূল্যবান হাতঘড়ি ও আইফোনসহ বিভিন্ন পোশাক উপহার হিসাবে কিনে দেন।’তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, এসব ছবি ফেসবুকে আপলোডের পর ভাইরাল হলে এসপি জাহাঙ্গীর মল্লিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওয়াল থেকে মুছে ফেলতে মিলনকে অনুরোধ করেন। এরপর আর ওই ছবি সন্ত্রাসীদের আইডিতে পাওয়া যায়নি। তবে এর মধ্যে পুলিশের ভাবমূর্তি যা ক্ষুণ্ন হওয়ার, তা হয়ে গেছে। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা ডাউনলোড করে যার যার মোবাইল ফোনে নজিরবিহীন ছবিগুলো সংরক্ষণ করে রাখে।গোয়েন্দা প্রতিবেদনের একস্থানে বলা হয়, এই ঘটনা জেনে যাওয়ায় বিপদে পড়েন দুজন স্থানীয় সাংবাদিক ও এক ইউপি চেয়ারম্যান। তারা হলেন বরগুনায় বৈশাখী টিভির প্রতিনিধি মিজানুর রহমান, বরিশালের দৈনিক ‘দিন প্রতিদিন’ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মো. জাফর খান এবং বরগুনা সদর উপজেলার নলটোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুজ্জামান মাহফুজ।

বরগুনা সদর থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলামের নির্দেশে ২০ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে এসআই জাহিদ হোসেন তাদের জরুরি তলব করে থানায় ডেকে আনেন। এসপির নির্দেশনার কথা শুনে তারা আসতে বাধ্য হন। এরপর মধ্যরাতে থানায় আসেন এসপি জাহাঙ্গীর মল্লিক। এ সময় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নাম উল্লেখ করে এসপি তাদের উদ্দেশে ধমক দিয়ে বলেন, তোরা এসব গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যের কাছে আমার বিরুদ্ধে তথ্য দিছিস? এখন মজা বুঝবি। তোদের কত বড় সাহস-এসপির বিরুদ্ধে কথা বলিস। এই ওদের লকাপে ভর…ইত্যাদি।’ এ সময় এসপি দফায় দফায় সন্ত্রাসী মিলনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। মিলনকে ফোনে রেখে তিনি তাদের বিভিন্নভাবে ধমক দেন।এভাবে ওসির কক্ষে বসে তাদের শাসানোসহ নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো অব্যাহত থাকে। একপর্যায়ে রাত ২টার দিকে দেড়শ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে তাদের ছেড়ে দেন। পরদিন আবার বাসায় গাড়ি পাঠিয়ে সাংবাদিক জাফর খানকে এসপি অফিসে তুলে আনা হয়। আনার সময় এসআই জাহিদ ও এসপির দেহরক্ষী কনস্টেবল মুস্তাফিজুর রহমান তাকে নাজেহাল করেন। এসপি অফিসে আসার পর জাফরকে প্রথমে অজু করতে বলা হয়। এ কথা শুনে সাংবাদিক জাফর রীতিমতো ভড়কে যান। কেন ওজু করতে হবে, জানতে চাইলে ফের ধমক দেওয়া হয়। এ সময় তিনি বাধ্য হয়ে ওজু করেন এবং প্রচণ্ড ভয় ও নানা আশঙ্কায় দোয়া পড়তে থাকেন। এরপর জাফরের সামনে পবিত্র কুরআন আনা হয়। তখনও জাফর কিছু বুঝে উঠতে পারছিলেন না। অনেকটা নার্ভাস ছিলেন। সবশেষে তার হাতে কুরআন তুলে দিয়ে বিশেষ শপথ করতে বলা হয়। এসপি বলেন, তোকে আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। কুরআন শপথ করে যদি বলিস, কাউকে আমার বিরুদ্ধে তথ্য দিস নাই, তাহলে বিশ্বাস করব। অগত্যা কী আর করা। শপথ করে জাফর বলেন, তিনি এসপির বিরুদ্ধে কাউকে কোনো তথ্য দেননি। এভাবে ওই যাত্রায় বেঁচে যান জাফর।বিষয়টি নিয়ে তথ্যানুসন্ধানের সময় যুগান্তর প্রতিবেদকের কাছে ঘটনার আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন ভুক্তভোগী গণমাধ্যমের দুই প্রতিনিধিসহ ইউপি চেয়ারম্যান। এ ঘটনার পর তারা এখন এক ধরনের ট্রমার মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন।এসপির ঘনিষ্ঠ কে এই মিলন : তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, যেসব অপরাধীর সঙ্গে এসপি মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিকের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের ছবি ভাইরাল হয়, তাদের মধ্যে মিলন হাওলাদার এলাকায় চিহ্নিত প্রতারক। এলাকায় তার প্রতারণা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শেষ নেই। বিয়েপাগলও তিনি। প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ের নামে একাধিক মেয়ের জীবন নষ্ট করেছেন। প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের তথ্য গোপন করে ২০১৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বরগুনা পৌর সদরের কাঠপট্টির বাসিন্দা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল হক স্বপনের মেয়ে সুমাইয়া বিনতে আ. আজিজকে বিয়ে করেন। কাবিনে স্পষ্টাক্ষরে লেখা ‘এই বিয়ের পূর্বে বরের অন্য কোনো স্ত্রী নেই।’ কাবিনে তার জন্মতারিখ উল্লেখ করা হয় ১৯৮০ সালের ১ জানুয়ারি। তবে তার প্রথম পাসপোর্টে (জেড ০৬২৪৬৬৩) জন্মতারিখ উল্লেখ করা হয় ১৯৬৮ সালের ২০ মার্চ। স্ত্রী-সন্তানের তথ্য গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে, মানব পাচারসহ নানা ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ পেয়ে বিয়ের ৭ দিনের মাথায় মিলনকে তালাক দেন সুমাইয়া। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মিলন তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। এরপর ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেওয়া হয়নি। পরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে বিচারকের নির্দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২০০০-এর ৯(১) ধারায় ২০১৮ সালের ২১ এপ্রিল বরগুনা সদর থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়। আদালতের নির্দেশে বরগুনা সদর থানায় একই বছরের ১৩ মে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন ২০০২-এর ৪/৫ ধারায় রেকর্ড করা হয়। সুমাইয়ার মাকে হত্যার হুমকি এবং ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তাদের নিকটাত্মীয় রিয়াজ সরদার মামলাটি করেন। বরাবরের মতো এই মামলাটিও থানা গ্রহণ করেনি। পরে আদালতের নির্দেশে পুলিশ রেকর্ড করতে বাধ্য হয়। রিয়াজ সরদারের মামলায় মিলনের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগের সামান্য কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়। এজাহারের একস্থানে এ বিষয়ে বলা হয়, ‘মিলন বিদেশে মদ ও নাইট ক্লাবের ব্যবসা, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন প্রলোভনে মেয়েদের বিদেশে পাচার করে দেয়। কাজের কথা বলে মেয়েদের ঢাকায় নিজ বাসায় রেখে রাত্রিযাপনসহ অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকে।’ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেশামাল প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণে শেষ পর্যন্ত এই মামলাটি আপস-মীমাংসা করতে বাধ্য করা হয়েছে।

২০০৯ সালের ৪ জুন ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে বরগুনা কলেজ রোডের মো. ফজলুল হকের মেয়ে মোসা. নাজিফা হকের সঙ্গে তার প্রথম বিয়ে হয়। সম্প্রতি মহামারি করোনায় তার সেই স্ত্রী মারা যান। এই ঘরে মিলনের এক ছেলে, বর্তমানে তার নানার হেফাজতে রয়েছে।তথ্যানুসন্ধানে এই প্রতারকের আরেকটি পাসপোর্ট পাওয়া যায়। সেটি নেওয়া হয়েছে মো. নকিব উদ্দিন নামে। এই পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে মিলন বরগুনায় তার গ্রামের বাড়িসহ পিতা-মাতার নামও পরবর্তন করেন। ভিন্ন নাম-ঠিকানা দিয়ে জন্মসনদও করেছেন। দ্বিতীয় পাসপোর্ট নিতে জন্মসনদে তার পিতার নাম লিখা আছে হাতেম আলী। মাতার নাম আয়েশা সিদ্দিকা। জন্মস্থান বরগুনা সদর উপজেলার খাকবুনিয়ার আজিজাবাদ গ্রাম। মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ মিশন থেকে ২০১৪ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এই জন্মসনদ দিয়ে আবেদন করলে ওই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি নাকিব উদ্দিন নামে মিলনের দ্বিতীয় পাসপোর্ট ইস্যু হয়। তার সেই পাসপোর্টের নম্বর-বি এ ০৪৮৩১৫০। সেখানেও তার জন্মতারিখ ১৯৬৮ সালের ২০ মার্চ। জন্মতারিখ পরিবর্তন করে সম্প্রতি এই মিলন আবার জন্মসনদ নিয়েছেন। সেখানে তার নাম লেখা হয়েছে মিলন হাওলাদার। পিতা-আলহাজ আ. রশিদ হাওলাদার, মাতা-মোসা. আনোয়ারা বেগম। ঠিকানা দেওয়া হয়েছে বরগুনা সদরের নলটোনা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত গোলবুনিয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি। সরেজমিন এই ঠিকানায় গিয়ে তার পিতৃপরিচয় সঠিক পাওয়া গেলেও জন্মতারিখ সঠিক পাওয়া যায়নি। প্রায় ১২ বছর কমিয়ে চলমান জন্মসনদ নেওয়া হয়। এই জন্মসনদে মিলন জাতীয় পরিচয়পত্রও নিয়েছেন। যার নম্বর-১৫০৫৩৩৮৮৯৫। অস্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করা এই প্রতারক জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন ফর্মে শিক্ষাগত যোগ্যতা লিখেছেন স্নাতক।প্রতারক মিলন গাড়িতে বিচারক ও পুলিশের স্টিকার এবং ওয়াটকি ব্যবহার করে এজাহারভুক্ত আসামিও হন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার মামলা নং ৭। ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট থানার এসআই মো. আবু ইউসুফ বাদী হয়ে মিলনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ৪১৯, ৪২০ ও ১৭১ ধারায় অভিযোগ এনে মামলা করেন। ওই এজাহারের একস্থানে বলা হয়, ‘চারজন আসামিকে জিজ্ঞসাবাদে জানায়, মিলন হাওলাদারের সহায়তায় তারা গাড়িতে রাখা জব্দকৃত পুলিশের স্টিকার, পুলিশের সিগন্যাল লাইট, ওয়াকিটকি, ওয়্যারলেস সেট ব্যবহার করে। এই মিলন পুলিশ পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময় প্রতারণা করে।’ এজাহারে এমন তথ্য উপস্থাপনের পরও তদন্তকারী কর্মকর্তা সরাইল থানার এসআই জসিম উদ্দিন রহস্যজনক কারণে অভিযোগপত্র থেকে মিলনের নাম বাদ দেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জসিম উদ্দিন বলেন, এখন আমার মনে পড়ছে না।অভিযোগের বিষয়ে এসপি মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক শনিবার যুগান্তরকে বলেন, ‘মিলনের সঙ্গে বেশ কিছুদিন আগে কয়েকটি ছবি তুলেছিলাম। সেগুলো কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভাইরাল করেছে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কোনো সাংবাদিককে থানায় বা আমার অফিসে ডেকে কুরআন শপথ করাইনি। এসব অভিযোগ ঠিক নয়।’অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে মিলনের মোবাইল ফোনে কয়েকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে তার ভাই বরগুনার নলটোনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুগান্তরকে বলেন, ‘মিলনের বিরুদ্ধে সব মামলা নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। তার বিরুদ্ধে সবকিছুই ষড়যন্ত্র।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *