চার সন্তানের জননীকে কুপিয়ে হত্যা!

চকরিয়ায় পাওনা টাকার বিরোধের জের ধরে আনোয়ারা বেগম (৩০) নামের চার সন্তানের জননীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত গৃহবধূ উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড নলবনিয়া এলাকার দিনমজুর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর স্ত্রী।শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) দুপুর ৩ টার দিকে একই উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড

নতুন পাহাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতের স্বামী মোঃ আবদুল্লাহ জানায়, এক সপ্তাহ আগে সপরিবারে স্ত্রীর বোনের বাড়ি মানিকপুরে বেড়াতে যান। ঘটনার দিন দুপুরে সেখানে ৫০ হাজার টাকা পাওনা টাকা দাবী করলে স্ত্রী আনোয়ারার সাথে ঝগড়া হয়। এনিয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে স্ত্রীর ভগ্নিপতি মনির আহমদের ছোট ভাই জমির উদ্দিন ও মিজানুর রহমান মিলে ধারালো দা দিয়ে অতর্কিতভাবে

আনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।এলাকাবাসী গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। থানার এসআই গোলাম সরোয়ার হাসপাতালে গিয়ে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।চকরিয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন=লালমনিরহাট-বুড়িমারী রেলরুটে ট্রেনের কামরায় কামরায় হরেকরকম শিশু খেলনাসহ রকমারি জিনিসপত্র ফেরি করে বিক্রি করেন তিনি।লালমনিরহাট সদর উপজেলার চুড়িপট্টি গ্রামে বাড়ি নুর ইসলামের। গেল ২০ বছর ধরে তিনি ফেরি করে খেলনা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। বাড়িতে তার ৩ সন্তান ও স্ত্রী আছে।

নুর ইসলাম এক নারী যাত্রীকে বলছিলেন, ‘আপনার সন্তান ১০ টাকার একটি খেলনার জন্য কাঁদছে। খেলনাটি পেলে সে চুপ হবে এবং আনন্দ পাবে। আপনি খেলনাটি কিনলে আমি ২-৩ টাকা লাভ করতে পারব। এই টাকা দিয়ে আমি সন্তানদের মুখে অন্ন তুলে দিতে পারব। আপনি এই খেলনাটি না কিনলে হয়তো আমার সন্তানদের না খেয়ে থাকতে হবে।’

ফেরিওয়ালা নুর ইসলামের কথায় বিস্মিত হলেন ট্রেনের যাত্রী আফিদা বেগম। তিনি আদিতমারী স্টেশন থেকে পাটগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন স্বামী মতিউর রহমান ও দুই সন্তান আদনান ইসলাম (৮) ও আরিফুল ইসলাম (৫)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *