সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পেলেন বাংলাদেশি মুখতার আলিম

সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশি মুখতার আলিম বিন মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি তিনি পবিত্র কাবা শরীফের গিলাফের প্রধান ক্যালিগ্রাফার।মুখতার আলিমের জন্ম বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলায়।সৌদি বাদশার এক রাজকীয় আদেশের উদ্ধৃতি দিয়ে সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়।

সৌদি সরকারের লক্ষ্যমাত্রা বা ‘ভিশন-২০৩০’ বাস্তবায়নে বিভিন্ন পেশায় দক্ষ ও চৌকসদের আকৃষ্ট করতে বিদেশিদের নাগরিকত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে রাজপ্রাসাদ।নাগরিকত্ব লাভকারী দক্ষ পেশাজীবীরা সৌদি আরবের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে অবদান রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।সম্প্রতি সৌদি আরবের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্ভাবনি ক্ষমতা সম্পন্ন প্রতিভাবান বিদেশীদের সৌদি আরব নাগরিকত্ব প্রদান করবে।

আরও পড়ুন= করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দীর্ঘ দিন দেশের স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রেডের ভিত্তিতে ‘অটো পাস’ দিয়েছে সরকার। বিশেষ পরিস্থিতিতে, বিশেষ বিবেচনায় সরকারের এমন সিদ্ধান্ত।তবু কেউ কেউ ‘অটো পাস’ পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে মজা করে কথা বলেন, যা অযৌক্তিক বলে মনে করেন চিত্রনায়িকা ও চলতি বছরে এইচএসসি পরীক্ষার্থী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি।

আসছে ডিসেম্বরের ২ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনি অংশ নেবেন এই পরীক্ষায়। প্রসঙ্গক্রমেই ‘অটো পাস’ নিয়েও কথা বলেন ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ছবির এই নায়িকা।দীঘি বলেন, কোভিডের কারণে সরকার গতবছরের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অটো পাস দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে অনেকেই মশকরা করেন! এটা ঠিক না। বিশেষ পরিস্থিতিতে শিক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখতে এটা হয়তো প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তই ছিলো, কিন্তু এটা নিয়ে মজা করা একদমই ঠিক না।

সম্প্রতি স্টার সিনেপ্লেক্সে চরকি’র ‘খাঁচার ভেতর অচিন পাখি’ ফিল্মের প্রদর্শনীতে উপস্থিত থেকে দীঘি বলেন, ‘বিভিন্নজন বলে থাকে অমুকে অটো পাস। এই অটো পাস বলা অযৌক্তিক লাগে।’দীঘি আরও বলেন, শুটিং বন্ধ থাকলে অনেকদিন পর শুটিংয়ে গেলে ক্যামেরার সামনে আন-ইজি লাগে। পরীক্ষাও অনেকদিন পর হলে একই ফিলিংস হয়। যারা অটো পাস পেয়েছে এটা খারাপ কিছু না। অবস্থা, পরিস্থিতি বুঝতে হবে সবাইকে।স্কুল কলেজ খোলায় জনজীবনে স্বাভাবিকতা ফিরেছে উল্লেখ করে দীঘি বলেন, স্কুল কলেজ খোলা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার একটি ধাপ। সবাই আবার ক্লাসে হাজির হচ্ছে। তাই আমি মনে করি পৃথিবী সুস্থ হওয়ায় এবার পরীক্ষা হবে।

সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি রাজধানীর স্টামফোর্ড কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ছেন দীঘি। আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেবেন।দীঘি বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা নিকটে। এর আগে চাইছি না সিনেমায় ব্যস্ততা থাকুক। ‘শ্রাবণ জোসনা’ সিনেমার কিছু কাজ বাকি। পরীক্ষা দিয়ে বাকি কাজ শেষ করবো।২০১৯ সালে স্ট্যামফোর্ড স্কুল ও কলেজ থেকে সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেন দীঘি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *