কঠোর হুঁশিয়ারি হিজবুল্লার

সম্প্রতি ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের রাজধানী এরবিলে ইহুদিবাদী ইস’রাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সুপারিশ করে যে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে তার কঠোর সমালোচনা করেছে লে’বাননের ইস’লামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ। গতকাল (সোমবার) হিজ’বুল্লাহ এক বিবৃতিতে সম্মেলনের আয়োজকদের সমালোচনা করার পাশাপাশি এ ব্যাপারে ইরাক সরকারের অবস্থানের প্রশংসা করেছে।

এরবিল সম্মেলনের আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে ইরাক সরকারের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার ভূয়শী প্রশংসা করে হিজবুল্লাহ বলেছে, এর মধ্যদিয়ে পরিষ্কার হয়েছে যে, ইরাক সরকার

এবং দেশটির জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলো ইসরা’ইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বা’ভাবিকীকরণের বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইহু’দিবাদী প্রকল্প সম্পর্কে সচেতন রয়েছে। একইসঙ্গে ইরাকের জনগণ ফিলিস্তিনিদের প্রতি যে সমর্থন দিয়েছে তারও প্রশংসা করেছে হিজবুল্লাহ।

গত শুক্রবার আমেরিকা-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রার ফর পিস কমিউনিকেশন এরবিলের একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে যেখান থেকে ইসরাইলের সঙ্গে ইরাকের রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সুপারিশ করা হয়। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় চলছে। দেশটির সরকার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠন এরবিল সম্মেলরে বিরোধিতা করেছে।সূত্র: পার্সটুডে

আশরাফ গনির তালেবানকে স্বীকৃতির আহ্বান!

আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তালেবানকে স্বীকৃতির আহ্বান জানানো হয়েছে। পরে এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন তিনি। রুশ সংবাদমাধ্যম স্পুটনিক জানিয়েছে, সোমবার আশরাফ গনি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

এর কয়েক মিনিট আগে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তালেবানকে স্বীকৃতির আহ্বান জানানো হয়। ফেসবুকে বিবৃতিটি প্রকাশের কয়েক মিনিটের মাথায় আশরাফ গণির টুইটার অ্যাকাউন্টে লেখা হয়, গনির অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে। পূর্ণমূল্যায়নের আগ পর্যন্ত ওই পেজটিতে প্রকাশিত সব কন্টেন্ট বৈধ নয়।

পরে আশরাফ গনি তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, তার পেজটি হ্যাক হয়েছিল। পরে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সহায়তায় নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছেন তিনি। তবে এনিয়ে নতুন কোনও টুইট করেননি তিনি। ‘তালেবান যোদ্ধারা রাজধানী কাবুলে প্রবেশ করছে’ এমন খবর প্রকাশ হওয়ার পর গত ১৫ আগস্ট আশরাফ গনি আফগানিস্তান ছেড়ে পালিয়ে যান।

প্রথমে খবর বের হয় তিনি তাজিকিস্তান পালিয়ে গেছেন। পরবর্তীতে জানা যায়, তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে (দুবাই) আশ্রয় নিয়েছেন। আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষ তালেবানের ক্ষমতা দখলের সশ’স্ত্র অভিযানের মুখে দেশ ছেড়ে পালানোর জন্য আশরাফ গনিকে ‘কাপুরুষ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

দেশত্যাগ করার আশরাফ গনি চারটি গাড়ি ও একটি হেলিকপ্টার ভরে নগদ অর্থ নিয়ে গেছেন বলেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। তবে পালিয়ে যাওয়ার ৪ দিন পর এক ভিডিও বার্তায় আশরাফ গনি বলেন, আমি সংযুক্ত আরব আমিরাতে আছি।

তালেবানের কাবুল দখলের মুখে ব্যাপক রক্তপাত এড়াতে দেশ ছেড়েছি। বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ নিয়ে দেশ ছাড়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আশরাফ গনি বলেন, নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের তাড়া থাকায় সম্পত্তি ও গোপনীয় নথি রেখেই দ্রুত দেশ ছাড়তে হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *