চীনের অত্যাধুনিক সামরিক শক্তি প্রদর্শন শুরু মঙ্গলবার

আগামীকাল মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে চীনের ১৩তম ইন্টারন্যাশনাল অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস এক্সিবিশন (এয়ারশো চায়না)। এতে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশের ৭০০টি কোম্পানি অনলাইন ও অফলাইনে অংশ নেবে। মঙ্গলবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত গুয়াংডং প্রদেশের ঝুহাইয়ে এ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। এই ইভেন্ট শেষ হবে আগামী রবিবার।

এই ইভেন্ট সম্প্রতি চীনের অ্যারোস্পেস কোম্পানিগুলোর তৈরি ক্যারিয়ার রকেট, স্পেসক্রাফট ও অতি-উচ্চতায় চলতে পারে এমন সব আধুনিক প্রযুক্তির ড্রোন প্রদর্শন করা হবে।ইভেন্টে চীনের সবচেয়ে আধুনিক ফাইটার জেট জে-২০ অংশ নেবে।

উন্নত প্রযুক্তির অন্যান্য সামরিক শক্তির মধ্যে থাকবে জে-১৬ডি ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ার এয়ারক্রাফট, ডব্লিউজেড-৭ হাই-অলটিচিউড ড্রোন ও ডব্লিউজেড-৮ হাই-অলটিচিউড ও হাই-স্পিড ড্রোন। চীনের উচ্চমাত্রার সামরিক শক্তি এই ইভেন্টের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা হবে। তারা এটি দেখাতে চায় যে, তাদের দেশে উন্নতমানের সামরিক সরঞ্জাম তৈরির সক্ষমতা রয়েছে।

অত্যাধুনিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল ভারত

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পথে আরও এগিয়ে গেল ভারত। এবার অত্যাধুনিক ‘আকাশ প্রাইম’ মিসাইলের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করল দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও।

সোমবার উড়িষ্যার চাঁদিপুরে ইন্টিগ্রেটেড মিসাইল টেস্ট রেঞ্জ থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়। আকাশ মিসাইলের নতুন সংস্করণ আকাশ প্রাইম মিসাইলটি সেই পরীক্ষাতেও সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে, যা প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল।

জানা গেছে, অকাশ প্রাইম মিসাইলটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক ‘রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি সিকার’। এই যন্ত্রের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তুকে সহজেই খুঁজে বের করতে সক্ষম হয় ক্ষেপণাস্ত্রটি। এটি অতিউচ্চতায় কম তামপাত্রায় কাজ করতে সক্ষম। পরীক্ষার সময় রাডার, ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল টার্গেটিং সিস্টেম ও টেলিমেট্রি স্টেশন-সহ পরীক্ষার জায়গায় রেঞ্জ স্টেশগুলো

ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ ও ফ্লাইটের ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।২০১৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে স্থলসেনা ও বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত হয় আকাশ মিসাইল সিস্টেম। এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মস-এর মতোই সুপারসনিক। এর সর্বাধিক গতি হল ২.৫ ম্যাক (৩০৮৭ কিমি প্রতি ঘণ্টা)। এটি মধ্যম পাল্লার মিসাইল, যেটা ২৫ কিমি পর্যন্ত দূরে থাকা লক্ষ্যকে সহজেই ধ্বংস করতে পারবে।

৬০ কিলোগ্রাম পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে সক্ষম আকাশ মিসাইল। এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রটি যুদ্ধবিমান, ড্রোন, ক্রুজ মিসাইল নিমেষে ধ্বংস করতে সক্ষম। অকাশ প্রাইম সেই সংস্করণের আরও আধুনিক রূপ। সূত্র: এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস, টাইমস অব ইন্ডিয়া

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *