তুরস্ক এবার সামনের সারিতে প্রাপ্য জায়গা দখলে নেবে : এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যিপ এরদোগান বলেছেন, বিভিন্ন বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও তুরস্ক ২০২৩ সালের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। এইবার আর আমরা ট্রেন মিস করব না, সামনের সারিতে তুরস্ক প্রাপ্য জায়গা দখল করে নিবে।

শনিবার তুরস্কের স্বাধীন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদর সংগঠন এমইউএসআইএ’ডির সাধারণ সভায় উপস্থিত হয়ে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এই মন্তব্য করেন। তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান তার বক্তব্যে প্রায়ই ‘২০২৩ সালে লক্ষ্য অর্জন’ এর

কথা বলেন। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই লক্ষ্য বলতে তিনি হয়তো ‘লুজান চুক্তি’র সমাপ্তির বছরকে তুলে ধরার চেষ্টা করেন এবং এ চুক্তির সময়সীমা শেষ হওয়ার পর তিনি যে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ নেবেন, সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। শনিবার এর’দোগান বলেন,

বিভিন্ন সমস্যা থাকা সত্ত্বেও অর্থনীতিতে আমরা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, দ্রুত পূর্বের অবস্থানে ফিরছি। বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অ’র্থনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্য ধসে পড়ছে উল্লেখ করে এরদোগান বলেন, অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে নতুন বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা

পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হবে। তুর্কি প্রে’সিডেন্ট বলেন, পরিবহণ থেকে খনিজ সম্পদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা থেকে বিচার ব্যবস্থাসহ লক্ষ্যে পৌঁছাতে তুরস্কের প্রয়োজনীয় সকল কিছু রয়েছে। যে অবকাামো আমাদের প্রয়োজন ছিল তা আমরা গড়তে সম’র্থ হয়েছি। এ সময় তিনি

বলেন, এই বার আর তু’রস্ক ট্রেন মিস করবে না, তুরস্ক সামনের সারিতে প্রাপ্য জায়গা দখল করে নিবে। এর আগে সম্প্রতি এরদোগান বলেছিলেন, আমাদের প্রথম টার্গেট হচ্ছে ২০২৩ সালের মধ্যে চাঁদের দেশে পা

রাখা। তুরস্কের জন্মশত’বার্ষিকীতে আমার বিশ্বাস আমাদের প্রকৌশলীরা এই মিশন বাস্তবায়নে সক্ষম হবেন। শনিবার এরদোগান আরও বলেন, পরিবহন থেকে খনিজ সম্পদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যা নি’রাপত্তা থেকে বিচার ব্যবস্থাসহ;

লক্ষ্যে পৌঁছাতে তুর’স্কের প্রয়োজনীয় সকল কিছু রয়েছে। যে অবকাামো আমাদের প্রয়োজন ছিল তা আমরা গড়তে সমর্থ হয়েছি। বিভিন্ন সমস্যা থাকা সত্ত্বেও অর্থনীতিতে আমরা অ’ভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, দ্রুত

পূর্বের অবস্থানে ফিরছি। বৈ’শ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্য ধসে পড়ছে উল্লেখ করে এরদোগান বলেন, অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে নতুন বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হবে। জাতীয় প্রতিরক্ষা ইউ’নিভার্সিটিতে এক ভাষণে

সম্প্রতি এরদোগান বলেছিলেন, বিশ্ব তুর্কি ড্রোনের প্রশংসা শুরু করছে। সিরিয়া থেকে শুরু করে কারাবাখ যুদ্ধেও সন্ত্রাসীদের নিমূলে তুর্কি ড্রোনের সাফল্য দেখেছে বিশ্ববাসী। তিনি আরও বলেন, তুরস্ক কামান থেকে শুরু করে ক্ষেপ’ণাস্ত্র, বো’মা থেকে শুরু করে ব’ন্দুক, রাডার

ও ড্রোন যে কোনো ধরনের অ’ত্যাধুনিক সমরাস্ত্র এখন নিজ দেশেই তৈরি করছে। ড্রো’নের আরও উন্নয়ন নিয়ে আমাদের হাতে নেওয়া প্রকল্প আগামী ৩-৫ বছরের মধ্যে শেষ হবে। তখন বিশ্বে সবচেয়ে অ’ত্যাধুনিক প্রযুক্তির ড্রোন হবে আমাদের নির্মিত এ চালকবিহীন বিমান। আনাদোলু এজেন্সি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *