এবার কাউন্সিলর খোরশেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

করোনাবীর খ্যাত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করা হয়েছে। এবার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করা সেই সাঈদা আক্তার তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন।বুধবার (২৫ আগস্ট) এ ধর্ষণ মামলাটি গ্রহণ করেনদুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামল।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, সাঈদার প্রথম বিয়ের পর সে সংসারে তার ৩টি সন্তান রয়েছে। মনে-মতে মিলমিশ না হওয়ায় প্রথম স্বামীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়। পরবর্তী থেকে কাউন্সিলর খোরশেদ তার সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তুলেন। গত বছরের ২ আগস্ট বিকালে সাঈদা আক্তারের কাঁচপুরে অবস্থিত এসএস ফিলিং স্টেশনে খোরশেদ একজন লোক নিয়ে গিয়ে সাঈদাকে পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর সেই কাজী তার রেজিস্ট্রারে সাঈদার স্বাক্ষর নিয়ে বলেন আপনারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

সাঈদা আক্তারের নিজ বাসায় ওই রাত ১১টায় বাসরের নামে খোরশেদ তাকে কয়েকবার ধর্ষণ করেছেন। তারপর থেকে প্রায়ই তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর দাবিতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে খোরশেদের কাছে একাধিকবার সাঈদা আক্তার বিয়ের কাবিননামা চান। খোরশেদ কাবিননামা না দিয়ে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি রাত ১১টায় আবারও সাঈদা আক্তারের বাসায় গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, সাঈদা আক্তার নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ সিএনজি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, গার্মেন্টস, হোসিয়ারীসহ এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের ব্যবসা করেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হওয়ায় বিভিন্ন অজুহাতে ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন আসামি।

এ বিষয়ে সাঈদা আক্তারের আইনজীবী মো. জসিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, আদালত আমাদের আবেদন আমলে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ পিবিআইকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে, কাউন্সিলর খোরশেদকে স্বামী দাবি করে তাকেসহ দুজনের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করে সাঈদা আক্তার আলোচনায় এসেছেন।এ বিষয়ে কাউন্সিলর খোরশেদ সাংবাদিকদের বলেন, সাঈদা মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানি করে আমাকে বিয়ে করতে চায়। যত মামলাই দিক না কেন আমি তাকে বিয়ে করব না। আমার ঘরে স্ত্রী-সন্তান রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *