আফগান জনগণের বিপদে এরদোয়ানের তোড়জোড়

আফগানিস্তানে সরকারি বাহিনী ও তালেবানদের মধ্যে চলমান যু’দ্ধ থামাতে চায় তুরস্ক। এজন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাই’য়েপ এরদোয়ান দু’পক্ষের মধ্যে যু”দ্ধবিরতি কার্যকর করতে তো’ড়জোড় শুরু করেছেন।

ইতোমধ্যে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, শিগগির যুদ্ধবিরতি কার্যকরে তালেবানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দেখা করবেন। তালেবানের সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারে তিনি রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের নির্দেশও দিয়েছেন। জিও টিভি।

আ’ফগানিস্তান চলতি সপ্তাহে তা’লেবান অনেকটা বাতাসের বেগে আফগানিস্তানের নানা এলাকা দখল করে নিয়েছে। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে তারা অনেকগুলো প্রাদেশিক রাজধানী শহর দখ’ল করে নিয়েছে। সর্বশেষ

তারা কুন্দুজের বিমানবন্দর নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। সরকারি বাহিনী প্রত্যাশা অনুযায়ী তা’লেবান রু’খতে পারছে না। তবে উত্তরাঞ্চলকে মুক্ত ক’রার দায়িত্ব নিয়েছেন মার্শাল আবদেল রশিদ দোস্তাম। তার এ ঘোষণা সরকারি

বাহিনীর মনোবল বাড়িয়ে তুলেছে বলে টলো নিউজের খবরে বলা হচ্ছে। এরদোয়ান এই পিরিস্থিতির মধ্যে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে ‘মার্কিন সেনাদের কাবুল ত্যাগ করার কথা রয়েছে। বা’ইডেনের ঘোষণা অনুযায়ী সেনা

ত্যাগের সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। তবে ন্যা:টো সদস্যভুক্ত দেশ হলেও তুরস্ক আফগান ছাড়ছে না। তুরস্কের সেনারা কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ কাবুল এয়ারপোর্টের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে। এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রাখছে দেশটি। তু’রস্কের বক্তব্য,

বিমানবন্দরটির নিরাপত্তাহীনতা আ’ফগানের কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং লজিস্টিক কন্ডিশন মারাত্মক ব্যাহত হবে। বুধবার সিএএন টার্ককে এর’দোয়ান বলেন, আফগানের জনগণ সত্যি বিরাট বিপ’দের মুখে রয়েছে। এরদোয়ান

জানান, তালেবানের নেতৃত্ব দিচ্ছে এমন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তিনি দেখা করবেন। তু’রস্কের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে শিগগির ব্যবস্থা নে’ওয়ার কথাও বলেছেন। গত মাসে এরদোয়ান ঘোষণা ‘দিয়েছিেলেন, আ:ফগানের শান্তি

প্রক্রিয়ায় তুরস্ক অংশ নিতে চায়। তিনি বলছেন, আমরা যদি সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বর্তমান যু:দ্ধের লাগাম টেনে না ধরি তাহলে আফগানে শান্তি ফিরবে না। ৩৬ লাখ সিরিয়ার শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে তুরস্ক’ সরকার। আর

এ কারণে তুর্কি অর্থনীতি খা’নিকটা বি’পদের মধ্যে রয়েছে। বিরোধীদল এসব শরণার্থীকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তবে এরদোয়ান জোর দিয়ে বলেছেন, দেশের পূর্ব ও দক্ষিণে সী’মান্তে দেওয়াল

নির্মাণের পর থেকে শরণার্থী ইস্যু নি,য়ন্ত্রণে রয়েছে। ইরান ও ইরাক সীমান্তে দেওয়াল তোলার কাজ চলছে। এ দেওয়াল অবৈধ অভিবাসী প্রবেশ খানিকটা ঠেকিয়ে দেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *