যুক্তরাষ্ট্রে সাংবাদিকের কাছে কে পাঠাল ‘গোপন’ ভিডিওটি

বোট ক্লাব মা’মলার ত’দন্ত করতে গিয়ে চিত্রনায়িকা পরীমনির স’ঙ্গে ঘনিষ্ঠ স’ম্পর্কে জ’ড়িয়ে পড়েন ঢাকা মহানগর গো’য়েন্দা পু’লিশ (ডিবি) গুলশান বিভাগের এডিসি গোলাম সাকলায়েন। বিপুল মা’দকসহ পরীমনিকে গ্রে’ফতারের পর তাকে জি’জ্ঞাসাবা’দে এমনটাই জানতে পেরেছেন গোয়েন্দা কর্মক’র্তারা।

এ ঘ’টনায় গোলাম সাকলায়েনকে ডিবি থেকে ডিএমপির পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (দা’ঙ্গা দমন বিভাগ, পশ্চিম) বদলি করা হয়। ওই সময় পরীমনি-সাকলায়েনকে নিয়ে একটি সিসিটিভি ফুটেজ আ’ইনশৃঙ্খলা বা’হিনীর হাতে এসেছে।

ফুটেজটি সাকলায়েনের সরকারি বাসভবনের। সেখানে তারা এক স’ঙ্গে ১৮ ঘণ্টা অবস্থান করেন। এই আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইউটিউবে সাকলায়েন ও পরীমনির ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

এক মিনিটি ৫৪ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে দেখা গেছে, সাকলোয়েনের জম্মদিনে কেক কাট’ছেন তারা। পরে পরীমনি তাকে খাইয়ে দিচ্ছেন। পরে সাকলায়েনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ স’ম্পর্কে দেখা গেছে পরীমনিকে। ওই ভিডিওটি এখন নেট পাড়ায় ব্যাপক আলোচিত-সমালোচিত।

এর আগে জি’জ্ঞাসাবা’দে পরীমনি জানিয়েছেন, নিয়মিত কথা বলতে বলতে গোলাম সাকলায়েনের স’ঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয় তার। এরপর তারা নিয়মিত গাড়ি নিয়ে ঘুরতে যেতেন। এমনকি সাকলায়েন তার বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন।

সর্বশেষ গত ১ আগস্ট তার সরকারি বাসভবন রাজারবাগের মধুমতির ফ্ল্যাটে যান পরীমনি। সেখানে প্রায় ১৮ ঘণ্টা অবস্থান করেন।পরীমনি জানান, সাকলায়েনকে তিনি পছন্দ করেন। সুযোগ পেলে সাকলায়েনের স’ঙ্গে দেখা করতে চান পরীমনি।

একুশে টেলিভিশনের সাবেক সাংবাদিক ও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ইউটিউব চ্যানেলে গত ১০ আগস্ট সন্ধ্যার দিকে ভিডিওটি আপলোড করা হয়। ফাঁ’স হওয়া ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘পরীমনি ও পু’লিশ কর্মক’র্তা সাকলায়েনের গোপন ভিডিও!

সাকলায়েন পরীমনির স’ঙ্গে তার অ’বৈধ সম্পর্কের কথা অ’স্বীকার করলেও তাদের গো’পন একটি ভিডিও আমাদের কাছে পাঠান নাম প্র’কাশে অনিচ্ছুক আরেকজন পু’লিশ কর্মক’র্তা।’

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা একজন প্রবাসী সাংবাদিক কীভাবে সংবেদনশীল এই ভিডিও পেলেন, কে বা কারা তাকে ভিডিওটি পাঠিয়েছে- তা নিয়ে চলছে আলোচনা। সাংবাদিক ইলিয়াস ভিডিওটি ‘একজন পু’লিশ কর্মক’র্তা’র কাছ থেকে সংগ্রহ করেছেন বলে দা’বি করেছেন ক্যাপশনে।

সূত্রে জানা গেছে, ফাঁ’স হওয়া ভিডিওটি ঈদের পরের। এডিসি সাকলায়েনের বাসায় ধারণ করা এটি। বাসায় পরীমনি, তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমি এবং তার গাড়ি চালক উপস্থিত ছিলেন। ভিডিওটি জিমি ধারণ করেছেন।

বর্তমানে ডিবির হেফাজতে রি’মান্ডে রয়েছেন জিমি। প্রশ্ন উঠেছে, জিমি বর্তমানে ডিবির রি’মান্ডে আছেন। তাহলে সাংবাদিক ইলিয়াস কীভাবে ভিডিওটি পেলেন? কে পাঠিয়েছে?

এ বিষয়ে ডিবি সূত্রের দা’বি, পু’লিশের কেউ এই ভিডিও ছ’ড়াতে পারে না। তাছাড়া এই ভিডিও পু’লিশের হাতে আসার কথা নয়। ভিডিওটি প্রবাসী সাংবাদিককে যিনি পাঠিয়েছেন, তিনি দুই পক্ষের পরিচিত কেউ। ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যেই ভিডিওটি পাঠানো হয়েছে।

তবে সূত্রের ভাষ্য, পু’লিশ কর্মক’র্তা সাকলায়েনের বাসায় পরীমনি যে গিয়েছিলেন এবং সিসি ক্যামেরার যে ফুটেজ ফাঁ’স হয়েছে, সেটিও কোনো পু’লিশ সদস্যের মাধ্যমেই হতে পারে। কারণ সাকলায়েন রাজারবাগ পু’লিশ লাইন্সের ভেতরে একটি ভবনে থাকতেন।

সেই ভবনের পুরো দায়িত্ব পু’লিশের হাতেই। পু’লিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মো. সোহেল রানা গ’ণমাধ্যমকে বলেন, কোনো কর্মক’র্তা যদি আচরণবিধি বা আ’ইন লঙ্ঘন করেন, তাকে তার দায় নিতে হবে।

পরীমনিকে নিয়ে ওই কর্মক’র্তার বি’রুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ত’দন্তের জন্য ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার কথা রয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *