ইসলাম গ্রহণ করেন কোরিয়ান অভিনেত্রী

ইসলাম শিক্ষা দেয় যে আল্লাহ দয়ালু, করুনাময়, এক ও অদ্বিতীয়। ইসলাম মানব জাতিকে সঠিক পথ দেখায়। ইসলামী বিশ্বাস অনুসারে, আদম হতে শুরু করে আল্লাহ্ প্রেরিত সকল নবী ই’সলামের বা’ণীই প্রচার করে গেছেন।

যুগে যুগে বহু মানুষ ভিন্ন ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহন করেছেন। নতুন খবর হছে, আ’ধুনিক বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রভাবশালী ব্য’ক্তিত্বদের অন্যতম হলেন কোরিয়ান অভিনেত্রী আয়ানা মুন। ২০১০ সালে তিনি

ইসলামগ্রহণ করেছিলেন। অনেক বছর আগে ইসলামগ্রহণ করলেও দীর্ঘ দশক পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায়। মুসলিম না’রীদের ফ্যাশন মডেল আয়ানা মুন ১৯৯৫ সালে কোরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর থেকে সা’মাজিক

যোগাযোগ মাধ্যমে একজন মুসলিম অ’ভিনেত্রী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে কাজ শুরু করেন। একজন হিজাবি মডেল ও সমাজ’কর্মী হিসেবে ব্যাপক সুনাম কুড়ান আয়ানা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে

তাঁ’র ৩০ লাখ ফলোয়ার। মালয়েশিয়া, কোরিয়া ও ই’ন্দোনেশিয়ায় তাঁর তুমুল জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় বিনোদন জগতের একজন তারকা হিসেবে খ্যাতি আছে তাঁর। তা’ছাড়া মুসলিম নারীদের

ফ্যাশন মডেল হিসেবেও কাজ করেন তিনি। পরিবারের মধ্যে আয়ানা-ই প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন। কৈশোর না পেরোতেই মুসলিম হিসেবে নতুন জীবন শুরু করতে পেরে তিনি মহান আল্লাহর কাছে কৃ’তজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তাঁর

ইসলাম গ্রহণের পর তাঁর ভাই আ’দিয়ান মুন ইসলামগ্রহণ করেন। ইনস্টাগ্রামে নিজের ইসলামগ্রহণের গল্প বর্ণনা করেন আয়ানা। একটি ভিডিওতে তিনি বলেন, মাত্র ৭-৮ বছর বয়সে তিনি ইস’লাম সম্পর্কে জানতে পারেন। তখন

ইরাকে যু’ক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে তুমুল যু’দ্ধ শুরু হয়েছিল। তখন পর্যন্ত আমেরিকা সম্পর্কে জানা থাক’লেও ইরাক সম্পর্কে জানাশোনা ছিল না। ওই সময় তিনি’ প্রথম বারের মতো ইন্টারনেট ব্যবহার সুযোগ পান। ইন্টারনেটে অনুসন্ধান

করে ইরাকের অ’বস্থান ও সা’র্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানা চেষ্টা করেন। তখনই প্রথম ইরাকের অধিকাংশ মানুষ ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করেন বলে জানতে পারেন। আয়ানা জানতে পারেন যে ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম।

ইসলাম মানুষকে সুন্দর জীবন গঠনের নির্দেশনা দেয়। এছাড়াও অ’নুসন্ধানকালে হিজাবি নারীদের অনেক ছবি দেখতে পান। নারীরা নি’জেদের মুখ ঢেকে রাখছে দেখে তিনি কিছুটা বি’স্মিত হন। অবশ্য তার দাদা তখন তার

সঙ্গে ইসলাম ও হি’জাব নিয়ে আলোচনা করেন। প্রথম দিকে হিজাবের বি’ষয়টা তার কাছে অযৌক্তিক মনে হয়। এরপর থেকে নারীর মুখ ও সৌন্দর্য ঢেকে রাখার মূল

কারণ সম্পর্কে বিস্তা’রিত জানার চেষ্টা করেন। ইসলাম সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে তাঁর মত পরিবর্তন করেন এবং ইসলামী জীবনাচারে মু’গ্ধ হন। তখনই তিনি ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *