শ্রমিকের স্ত্রীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা মসজিদের ইমাম!

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের ব্রজবালা গ্রামের ইটভাটা শ্রমিক স্বপ্না খাতুনের সঙ্গে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন মসজিদের ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ। সাইফুল ইসলাম। সে ব্রজবালা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে ও সরতৈল খলিফা পাড়া জামে মসজিদের ইমাম। প্রথম স্ত্রীসহ তার দুই সন্তান রয়েছে।

সরেজমিনে জানা যায়, দরিদ্র ইটভাটা শ্রমিক কালু মিয়া প্রতিদিন সকাল দুইটায় ইটভাটা কাজে বের হয়ে সকাল ১০টার দিকে বাড়ি ফেরেন। ফলে রাতে স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে দুই সন্তানের জননী স্বপ্না খাতুন পাশের মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ সাইফুল ইসলামের প্রেমে পড়ে। দুই বছর ধরে ফজরের নামাজ পড়ার অজুহাত দেখিয়ে ইমাম একটু আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিয়ম অনুযায়ী স্বপ্না খাতুনের বাড়িতে ঢুকে প্রেমে পড়েন। এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে মাওলানা সাইফুল ইসলাম স্বপ্নার বাড়িতে যান। হঠাৎ কালু মিয়ার বাবা-মা ঘুম থেকে উঠে স্বপ্নের ঘরে অন্য কারো উপস্থিতি লক্ষ্য করেন। পরে বাড়িতে গিয়ে স্বপ্না খাতুনকে মসজিদের ইমামের সঙ্গে অকথ্য অকথ্য অবস্থায় দেখেন।

মাওলানা সাইফুল ইসলামের হাত ধরে চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে ইমামকে আটক করে। পরদিন শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে এক গ্রাম্য সালিশ বৈঠকে দুই সন্তানের জননী স্বপ্না খাতুনকে ৪ লাখ টাকায় দুই সন্তানের জনক ইমামের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। একটি মসজিদের ইমাম এলাকায় তুমুল আলোচনা-সমালোচনার বিষয়।

কাশিনাথপুর আব্দুল মজিদ দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও শালিস গ্রামের সভাপতি মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস মুঠোফোনে জানান, খলিফা পাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা সাইফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে অপর এক ব্যক্তির স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করে আসছিল। লোকজনের হাতে ধরা পড়ার পর আমি তাকে ৪ লাখ টাকায় বিয়ে করার চেষ্টা করি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.