যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের কড়া হুঁশিয়ারি!

স্বায়ত্তশা’সিত অঞ্চল তাইওয়ানকে সামরিক দিক থেকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ব্যাপারে চীন বরাবরই আপ’ত্তি জানিয়ে আসছে। তবে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সেনাদল তাই’ওয়ান সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, এই খবর প্রকাশ হওয়ার পর এবার আর মৃদু আপত্তি নয়, কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে চীন।

গত শুক্রবার (৮ অক্টোবর) এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তাইওয়ানের সেনাদের গোপনে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে মার্কিন বাহিনী। এর পর থেকে মুখোমুখি অবস্থানে চীন-যুক্তরাষ্ট্র। অবশ্য যতটা তীব্র প্রতিক্রিয়া চীনের পক্ষ থেকে দেখানো হয়েছে, ততটা দেখানো হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে। তবে তাইওয়ানের পক্ষ থেকে চীনের প্রতিক্রিয়ার জবাব দেয়া হয়েছে।

গতকাল রোববার চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেছেন, ওয়াশিংটনকে অবশ্যই তাইওয়ানের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। বিশেষকরে, তাইওয়ান সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার যে তথ্য উঠে এসেছে, সেটা উদ্বেগজনক। যুক্তরাষ্ট্রের এমন আচরণ চীনের সার্বভৌত্ব এবং ভৌগলিক অখণ্ডতার রক্ষার প’রিপন্থী, যা সহ্য করবে না চীন।

গত কয়েকদিনে তাইওয়ানের আকাশসীমায় অন্তত ১৫০ যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে চীন। এ নিয়ে শুরু হয় চীন-যুক্তরাষ্ট্র টা’নাপো’ড়েন। এক পর্যায়ে তাইওয়ানের কাছে যু’দ্ধা’স্ত্র বিক্রির কথা জানায় ওয়াশিংটন। দক্ষিণ চীন সাগরের মতো তাইওয়ান ইস্যুতে ওয়াশিংটন-বেইজিংয়ের মধ্যকার এই উ’ত্তেজনা দীর্ঘদিনের।

প্রসঙ্গত, তাইওয়ানকে তাদের নিজস্ব রাজ্য তথা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল বলে দাবি করে আসছে চীন। অপরদিকে, তাইওয়ান নিজেদের স্বতন্ত্র দেশ বলে দাবি করে আসছে এবং ওই অঞ্চলে চীনের বিরুদ্ধে আ’গ্রা’সন চালানোর অভিযোগও করছে তারা। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাইওয়ানকে নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা চীনের মাথাব্যথার অন্যতম কারণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *