আগ্রাসন বন্ধে ইসরায়েলকে বাধ্য করা হবে!

সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব এবং ভৌগোলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধে তেল আবিবকে বাধ্য করার জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে অবশ্যই কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি মাজিদ তাখতে রাভাঞ্চি মঙ্গলবার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে একথা বলেন। সিরিয়ার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মাজিদ তাখতে রাভাঞ্চি বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে অবশ্যই দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে এবং সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা যাতে লঙ্ঘিত না হয় সে জন্য ইসরায়েলকে বাধ্য করতে হবে।

ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আরও বলেন, “আমরা ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা জানাই এবং এটি আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।” সূত্র: মেহের নিউজ

এবার হাইপারসনিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার!

এবার উচ্চগতিসম্পন্ন হাইপারসনিক মিসাইলের সফল পরীক্ষার দাবি করল উত্তর কোরিয়া। নতুন এই মিসাইলের নাম হাওয়াসং-৮।স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দেশটির জাগং প্রদেশ থেকে মিসাইলটির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়।

বুধবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ’র বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।সম্প্রতি একের পর এক মিসাইলের পরীক্ষা চালাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। সবশেষ ছোড়া এ মিসাইলটি দেশটির জন্য ‘কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ বলে জানিয়েছে কেসিএনএ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঠিক যেমনটি চাওয়া হয়েছিল, মিসাইলটি উৎক্ষেপণের পর সে চাহিদার সবটুকুই পূরণ হয়েছে।উল্লেখ্য, হাইপারসনিক মিসাইল একটি অত্যাধুনিক সংস্করণ। সাধারণ মিসাইলের চেয়ে এটি অনেক বেশি গতিসম্পন্ন। এ কারণে প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় এটি মোকাবিলা করা বেশ কঠিন। সূত্র: বিবিসি

যৌনতার বিনিময়ে নারীদের চাকরি, ​জড়িত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা!

ইবোলা মহামারি সময় যৌনতার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রিপাবলিক অফ কঙ্গোর একাধিক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে। এ রকম এক ভয়ঙ্কর রিপোর্ট হাতে এসেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হাতে।

যেখানে দেখা যাচ্ছে, ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি চেহারা নিয়েছিল। সে সময় বহু কর্মী নিয়োগ করতে হয়েছিল ইবোলার সঙ্গে লড়াই করার জন্য। একাধিক নারী কর্মীকে যৌনতার বিনিময়ে চাকরির শর্ত দিয়েছিল সেখানকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মীরা। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার জন্য তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।অভিযোগ আগেই এসেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে। তারই ভিত্তিতে একটি স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সম্প্রতি তাদের রিপোর্ট বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হাতে এসেছে। ৩৫ পাতার রিপোর্টে একাধিক অভিযোগের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, অন্তত ৮০টি এমন অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে। অভিযুক্ত প্রায় ২০ জন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্মী। তাদের অধিকাংশই কঙ্গোর নাগরিক। তবে বিদেশিও আছে। অন্তত ৩০ জন নারী সরাসরি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। অন্তত ৫১ জন নারীবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ছাড়াও ইউনিসেফ, অক্সফ্যামের মতো সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করেছেন।

আক্রান্ত নারীদের অভিযোগ, ইবোলার সময় বেশ কিছু চাকরির সুযোগ তৈরি হয়েছিল। ইবোলার সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য সাময়িক সময়ের শর্তে বহু স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। অভিযুক্ত কর্মীরা সে সময় বহু চাকরিপ্রার্থী নারীর ইন্টারভিউ নেয়।

তাদেরকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, বসের সঙ্গে যৌনতায় তাদের আপত্তি আছে কি না। যৌন সংসর্গ করলে পদোন্নতির কথাও বলা হয়।আক্রান্ত নারীদের কেউ কেউ জানিয়েছেন, কাজের প্রয়োজনে তারা রাজি হয়েছিলেন। সেই সুযোগে তাদের ধর্ষণও করা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বক্তব্য, যে ব্যক্তিদের নামে অভিযোগ, তাদের অধিকাংশই টেম্পোরারি স্টাফ। অর্থাৎ, তাদেরকেও ইবোলা মোকাবিলা করার জন্য দ্রুত নিয়োগ করা হয়েছিল। সকলের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে অভিযুক্তদের নাম প্রকাশিত হয়নি। তবে কঙ্গোর ঘটনা একটি প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলেও একইরকম ঘটনা ঘটছে না তো?

সূত্র: ডয়েচে ভেলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *