পাঞ্জশিরের বীর আহমেদ মাসুদের সঙ্গে তালেবানের সমঝোতা

আফগানিস্তানের উ’ত্তরাঞ্চলীয় কৌশলগত পাঞ্জশির উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে তা নিয়ে তালেবানের সঙ্গে আহমেদ মাসুদের সমঝোতা হয়েছে। আফগানিস্তানের জাতীয় বীর হিসেবে খ্যাত সাবেক

মুজাহিদ ক’মান্ডার আহ’মেদ শাহ মাসুদের ছেলে আহমেদ মাসুদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার তালেবানের এ সমঝোতা হয়। মাসুদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য কাবুল থেকে তালেবানের একটি প্রতিনিধিদল ‘আফগানিস্তানের

উত্তরাঞ্চলীয় পারওয়ান প্রদেশের রাজধানী চারিকারে ছুটে গিয়েছিল। সাবেক আফগান সংসদ সদস্য আব্দুল হাফিজ মানসুরের বরাত দিয়ে আফগানিস্তানের বার্তা সংস্থা আওয়া এ খবর জা’নিয়েছে। মানসুর বলেন, বৈঠকে

দু’পক্ষ এই সমঝোতায় উপনীত হয়েছে যে, কেউ কারো অবস্থানে হামলা চালাবে না এবং পাঞ্জশিরে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিজেদের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাবে। এর অর্থ হচ্ছে আপাতত পা’ঞ্জশির আহমেদ মাসুদের নেতৃত্বাধীন যো’দ্ধাদের নিয়ন্ত্র’ণেই থাকছে। কোনো কোনো

সূত্র জানিয়েছে, তালেবান প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আহমেদ মাসুদের এ বৈঠকে আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, তালেবানরা পুরো আ’ফগানিস্তানের ওপর নি’য়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে

পারলেও পাঞ্জশির হচ্ছে একমাত্র দুর্গম পাহাড়ি প্রদেশ যার ওপর নিয়’ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে তালেবানরা এখন পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। তালেবান প্রতিনিধি দল এমন সময় আহমেদ মাসুদের সঙ্গে আ’লোচনার জন্য পাঞ্জশির প্রদেশ সফরে

গেছে যখন এর আগে তালেবানরা ঘোষণা ক:রেছিল একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই তারা ওই এলাকা নিয়ে বি”‘রোধের অবসান ঘটাবে। রাজধানী কা:বুলের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর তালেবানরা সারা দেশে যু:দ্ধ অ’বসানের ঘোষণা

দিয়েছিল। কিন্তু আহমেদ মাসুদ তালেবানবিরোধী প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার অ’ঙ্গীকার করায় তালেবানরা সংলাপের মাধ্যমে বি’রাজমান যে কোনো বিরোধ মী’মাংসার আহ্বান জানায়। পর্য’বেক্ষকরা বলছেন, তালেবানরা প্রায়

পুরো দেশের ওপর ‘নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর ধারনা করা হচ্ছে তারা যু’দ্ধ কিংবা বল প্রয়োগের মাধ্যমে পাঞ্জশির উপত্যকা পরিচালনা বা ‘নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় না। এ কারণে

তালেবানরা আহমেদ মা’সুদের সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে ওই এলাকায় যাতে একটি সমঝোতায় পৌঁছা সম্ভব হয়। সূত্র : পার্সটুডে, ইয়েনি শাফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *