বার বার সংসার ভাঙার হতাশা থেকে বেরিয়ে আসার উপায় জানালেন শ্রাবন্তী

অবশেষে শ্রাবন্তীর তৃতীয় বিয়েও ভা’ঙবার মুখে। কিন্তু বিয়ে ভা’ঙলেও নিজের কাজের ব্যাপারে ভীষণ সিরিয়াস এই অভিনেত্রী, পেশাদার জীবনে নিজের ব্যক্তিজীবনের প্রভাব পড়তে দেন না তিনি। কিন্তু হতাশা, সেটা তো মানবজীবনের খুব স্বা’ভাবিক একটা অনুভূতি। প্রত্যেক

মানুষই কোনো না কোনো সময় হতাশ হন, আবার সেই হতাশা কাটি’য়েও উঠেন। রোশনের সঙ্গে মনের দূরত্ব তৈরি হওয়ার পর গত ৯ মাস যাবত এক ছাদের তলাতেও থাকেন না শ্রাবন্তী। এই সময়কালে বারবার ইঙ্গিতবাহী

বার্তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন এই টলি নায়িকা। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। হতাশা থেকে বেরিয়ে আসার উপায় বা’তলে দিলেন শ্রাবন্তী। গতকাল রবিবার (১৮ জুলাই) ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি লেটেস্ট

ফ’টোশ্যুটের ছবি পোস্ট করেছেন শ্রাবন্তী। আর সেই ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, “হতাশ না হওয়ার সব থেকে ভাল উপায় হল, উঠে দাঁড়িয়ে নতুন কিছু করা। ” এই ছবিতে শ্রাবন্তীর দেখা মিলল কালো রঙের গাউনে। উন্মুক্ত বক্ষবিভাজিকা আর চোখের বাঁকা চাউনিতে ভক্ত মনে

ছ্যাঁকা দিলেন নায়িকা, হা’লকা মেক-আপ আর খোলা চুলে মোহময়ী। চলতি বছর বিধানসভা ভোটের আগে রাজনীতির ময়দানেও নাম লিখিয়েছিলেন এই টলি নায়িকা। বিজেপির টিকিটে লড়ে ৫০ হাজারেরও বেশি

ভোটে পরাজয়ের মুখ দেখতে হয়েছে বেহালার ঘরের মেয়ে হয়েও, তারপর রাজনীতি থেকেও নিজেকে গু’টিয়ে নিয়েছেন ‘শ্রাবন্তী। ভা’ঙা বিয়ে, রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শুরুতেই ধা’ক্কা- এমন পরিস্থিতিতে শ্রাবন্তীর হতাশা থাকলে চমকে ওঠবার কিছু নেই। কিন্তু প্রকাশ্যে এই নিয়ে

আলোচনা করতে চান না নায়িকা। শ্রা’বন্তীর ভাঙা স’ম্পর্কের কথা কারো অজানা নয়। রাজীব বিশ্বাসের সঙ্গে খুব অ’ল্প বয়সেই বিয়ে করেছিলেন, তবে সুখের ছিল সেই সম্পর্ক তেমনটা বলা যাবে না। দীর্ঘদিন আলাদা

থাকার পর ২০১৬ সালে আইনি বি’চ্ছেদ হয় দু’জনের। সেই বছরই মডেল কিষাণ বিরাজকে বিয়ে করেন নায়িকা। কিন্তু এক বছর পরেই আলাদা হয় এই জুটির পথ। অবশেষে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে আইনি

বিচ্ছেদ হয় দুজনের। এর মাস কয়েকের মধ্যেই রোশন সিং-কে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী। এখন শোনা যাচ্ছে, এই বিয়ে বাদ দিয়ে একদম নতুন করে জীবন শুরু করতে

চান অভিনেত্রী। সেই পথের স’ঙ্গী হিসেবে ইতোমধ্যেই অভিরূপ নাগ চৌধুরী বলে এক ব্যবসায়ীকে বেছে নিয়েছেন তিনি, এমনটাও শোনা যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *