দুই ভারতীয় সেনাকে গ্রেফতার করল পাকিস্তান:সীমান্তে উত্তেজনা চরমে !

পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’র গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ দুই ভারতীয় সেনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের বিভিন্ন ধারা অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনে পাঞ্জাব পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত দুই জন হচ্ছে সিপাহী হরপ্রীত সিং (২৩) এবং গুরভেজ সিং (২৩)। অমৃতসরের চেচা গ্রামের বাসিন্দা হরপ্রীত সিং অনন্তনাগে এবং গুরভেজ সিং

কারগিলে কর্মরত ছিল। পুলিশের দাবি, গত কয়েক মাসে আইএসআই-এর কাছে ভারতীয় সেনাবাহিনী সম্পর্কে কয়েকশ’ নথি পাচার করেছে ওই দুই জওয়ান। আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে এই কাজে রাজি হয়েছিল হরপ্রীত সিং।

পরে বন্ধু গুরভেজ সিংকেও এই গুপ্তচরবৃত্তিতে নিয়ে আসে। সূত্রের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, গুরভেজ সিং কারগিলের ১২১ পদাতিক ব্রিগেড সদর দফতরে একজন ক্লার্ক হিসেবে কর্মরত ছিল।

দাফতরিক কাজের সুবাদে সেনাবাহিনী সম্পর্কিত কৌশলগত ও টেকনিক্যাল তথ্য থাকার নথির জায়গায় প্রবেশাধিকার ছিল তার। গুরভেজ ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৯০০-এরও বেশি নথির ছবি মাদকপাচারকারীদের মাধ্যমে আইএসআইকে পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে।

তুরস্ক যা পারেনি তা করে দেখাল ইরান!

ইরানের রাজধানী তেহরানে তালেবানের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আফগান সরকারের প্রতিনিধিদল বৈঠক করেছে। বুধবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যস্থতায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে। তুরস্ক গত এপ্রিল মাসে ই’স্তানবুলে এ রকম একটি শান্তি আলোচনার চেষ্টা চালিয়েছিল। এমনকি তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিন-তারিখও ঘোষণা করেছিলেন।

এ নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছিল তুরস্কে। কিন্তু তালেবান এতে রাজি না হওয়ায় তখন স্থগিত এবং পরে বাতিল করতে হয় সেই বৈঠক। বুধবার ইরানের এই বৈঠকে আফগান সরকার থেকে সরাসরি বড় কোনো ব্যক্তি না থাকলেও বর্তমান সময়ে এ রকম একটি আলোচনার আয়োজন করতে পারা এবং উভয়পক্ষকে এক বৈঠকে বসাতে পারা কম সফলতার বিষয় নয়।

এই বৈঠক, ভবিষ্যৎ আফ’গানি’স্তানে ইরান আরও বেশি শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। গত মাসের শেষে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি কারিগরি দল আফগান ই’স্যুতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় একটি বৈঠক করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে।

দেশটি থেকে মার্কিনিদের নেতৃত্বে ন্যাটো সৈন্যরা চলে গেলে কাবুল হামিদ কারজাই বিমানবন্দরের দায়িত্ব নিতে চায় তুরস্ক। কিন্তু এতে আপত্তি রয়েছে তা’লেবানের। তালে’বানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে— ‘তুরস্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম রাষ্ট্র। আমরা তুরস্কের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে চাই। তুরস্কের সঙ্গে ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও উন্নত করতে চাই।’ তা’লেবা’নের একজন মুখপাত্র অবশ্য আমাকে জানান, বিদেশি সৈন্য থাকার বিষয়ে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট।

তবে তিনি তুরস্কের সঙ্গে তালেবানের বিভিন্ন চ্যানেলে যোগাযোগ হচ্ছে বলেও স্বীকার করেন। তার মতে, এ বিষয়ে আগামী পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে অনেক কিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে। আমার ধারণা, তুরস্ক ও তালেবান একটা সমঝোতায় আসবে। তবে সময় লাগবে। আর যদি সমঝোতায় না আসে, তা হলে তুরস্ক কি ওখানে থাকার জন্য তালেবানের বিরুদ্ধে গিয়ে অবস্থান নেবে? এখনই তা বলা মুশকিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *