এবার যেখানে যেখানে বের হলেই গ্রেফতার!

সর্বাত্মক লকডাউন শুরু পর বিনা কারণে কেউ ঘর থেকে বের হলেই তাকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। যৌক্তিক কারণ ছাড়া কেউ বাইরে বের হতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

তবে যাদের অফিস খোলা বা কর্মস্থলে যেতে হবে তাদেরকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে। যাদের পরিচয়পত্র নেই তারা মুভমেন্ট পাস বা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র নিয়ে বের হবে। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নোটিশ দেওয়া হবে বলা জানা গেছে।

রোববার (২৭ জুন) ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম ডিএমপির ইউনিট প্রধানদের নিয়ে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে লকডাউন কার্যকরে পুলিশের করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা চাই ১ জুলাই থেকে মানুষ বিনা কারণে যেন ঘরের বাইরে বের না হন। উপযুক্ত কারণ ছাড়া বের হলেই গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হবে। এ ছাড়া ঢাকার সব প্রবেশপথে চেকপোস্ট থাকবে। সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তাহলে কেন মানুষ বিনা কারণে যাতায়াত করবে।

মুসলিমদের পক্ষে ইসরাইলের ভোট!

উইঘুরদের ওপর চীনা নির্যাতনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের একটি বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল।যুক্তরাষ্ট্রের চাপে পড়ে এই প্রথমবারের মতো ইসরাইল এমন কাজ করেছে বলে টাইমস অব ইসরাইলের খবরে বলা হয়েছে।

প্রায় দশ লাখ উইঘুর মুসলিমকে অন্যায়ভাবে ক্যাম্পে বন্দী করে রাখার বিষয়ে গত মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ওই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করে ইসরাইল।ইসরাইল চীনকে বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করে। দেশটির বিরুদ্ধে এই প্রথম কোনো বিবৃতিতে স্বাক্ষর করল ইসরাইল।

বিবৃতিতে বলা হয়, উইঘুরদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে চীন। অমানবিক ও অবমাননাকর শাস্তি, যৌন ও লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা এবং বাবা-মায়ের কাছ থেকে শিশুদের জোর করে আলাদা করে দিচ্ছে চীন সরকার।অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, স্পেন এবং যুক্তরাষ্ট্রও ওই বিবৃতিতে সমর্থন জানিয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে চীনের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া নিয়ে ইসরাইলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।চীনের সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর দমন-পীড়ন ও নির্যাতন চালানোর অভিযোগে দেশটির ওপর আগেই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পশ্চিমা দেশগুলো।

উল্লেখ্য, চীন দীর্ঘদিন ধরে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ জিনজিয়াংয়ে ১০ লাখ সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের বিভিন্ন ক্যাম্পে আটক রেখে জোর করে কাজ করানো, নির্যাতন ও নারীদের ধর্ষণ করে আসছে বলে অভিযোগ আছে।

ক্যাম্প থেকে ছাড়া পাওয়া একাধিক উইঘুর মুসলিম ছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এ নিয়ে বহুদিন ধরেই চীনের সমালোচনা করে আসছে।ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডা যৌথভাবে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে চীনও ইউরোপীয় দেশগুলোর কর্মকর্তাদের ওপরও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।একইসঙ্গে চীন উইঘুর নির্যাতনের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে এটিকে সন্ত্রাসবাদ দমনে পুর্নশিক্ষা (রি-এডুকেশন) কার্যক্রম বলে দাবি করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *