সু চির বিরুদ্ধে মামলা, হতে পারে ১৫ বছরের বেশি জেল

মিয়ানমারের অং সান সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে নতুন কয়েকটি মামলা করেছে দেশটির সামরিক সরকার। যেখানে অপরাধ প্রমাণিত হলে ১৫ বছরের জেল হতে পারে বলে দেশটির ক্ষমতাচ্যুত এই নেতার। মিয়ানমারের রাজধানী নে-পি-দোর একটি পুলিশ স্টেশনে বুধবার (৯ জুন) এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে।

খবরে জানা গেছে, সু চির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধেও দুর্নীতির মামলা করা হয়। ১ ফেব্রুয়ারি সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিয়ানমারের নিয়ন্ত্রণ নেয় সামরিক বাহিনী। সু চি ও এনএলডির অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার করে কারাবন্দি করে সামরিক সরকার।

দেশটির ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের’ উদ্ধৃতি দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘দাও খিন চি ফাউন্ডেশনের’ জমির অপব্যবহার এবং অর্থ ও সোনা গ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে। সু চি এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান। রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত পত্রিকাটিতে বলা হয়, দায়িত্তশীল পতে থাকায় দুর্নীতির দায়ে তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। যে কারণে দুর্নীতি দমন আইনের ৫৫ ধারায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে বেআইনিভাবে ওয়াকিটকি রাখার অভিযোগে ঔপনিবেশিক আমলের ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’ লঙ্ঘনের দায়ে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। তার সমর্থকরা বলছেন এই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এছাড়া সু চির বিরুদ্ধে দুটি আদালতে আরো কয়েকটি মামলা করা হয়েছে, যেগুলোর বেশিরভাগই ছোটখাট অভিযোগে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *