আল আকসায় হা’না’ দিতে আমিরাতের সহায়তা চাইলো ই’সরাইলিরা

ইহুদিবাদী স’ন্ত্রা’সীদের অ’বৈ’ধ রাষ্ট্র ইসরাইলের একটি চ’রমপ’ন্থী গ্রুপ আল আকসা মসজিদে হা’না দিতে দেশটিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের কাছে

সাহায্য চেয়ে আবেদন করেছে। এ লক্ষ্যে ওই কূট’নীতিক মোহামেদ আল খাজাকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে টেম্পল মাউন্ট হেরিটেজ ফান্ড গ্রুপ। খবর আল আরাবির।

দ’খলদার ইসরাইলি রা’ষ্ট্রীয় রেডিওর মাধ্যমে জানা যায়, এই গ্রুপটি যখন পরবর্তী বার মু’সলিমদের প্রথম কিবলা প্রবেশ করবে তখন আমিরাতি কূ’টনীতিকের সাহায্য

চেয়েছেন। এসময় তিনি তাদের ক’র্মীদের কাছেও সাহায্য চেয়েছেন। পবিত্র এই মস’জিদে ঢুকে ইহুদি অ্যাসোসিয়েশন তাদের শক্তি প্রদর্শনে বি’ক্ষোভ করবে বলেও জানিয়েছে ওই গ্রুপটি।

আরো পড়ুন
করোনা মহামারিতেও কমছে না মুঠোফোনে কথা বলা কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ। প্রস্তাবিত বাজেটে টেলিকম সেবায় কমানো হয়নি সম্পূরক শুল্ক কিংবা সিমট্যাক্স। সুখবর নেই ব্রডব্যান্ড ইন্টারেনট সেবায়ও। শিল্প খাতে করপোরেট করহার কমানোর প্রস্তাব করা হলেও

বিবেচনায় নেয়া হয়নি মুঠোফোন অপারেটরদের। খরচ বাড়ছে মুঠোফোনে টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রেও। সবমিলিয়ে প্রস্তাবিত বাজেটকে হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। করোনাকালে সামাজিক যোগাযোগ থেকে

দাপ্তরিক কাজকর্ম, কেনাকাটা, আর্থিক লেনদেন সবই চলছে মুঠোফোন কিংবা ইন্টারনেটে। ফলে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে মুঠোফোনে কথা বলা কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ কমাতে কর ছাড়ের প্রস্তাব দেয়া হয়। তবে বৃহস্পতিবার (০৩ জুন) অর্থমন্ত্রী আ হ

ম মুস্তফা কামালের উত্থাপিত বাজেটে মুঠোফোন সেবায় ভ্যাট এবং সম্পুরক শুল্ক ১৫ শতাংশ কোনো হেরফের হয়নি। কমানো হয়নি ২০০ টাকা সিমট্যাক্সও। মুঠোফোনে ১০০ টাকার কথা বলায় ৩৩ টাকা ২৫ পয়সা এবং ডাটা

ব্যবহারে প্রায় ২২ টাকা খরচ অপরিবর্তিত থাকছেই। বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, সম্পূর্ণ প্রকাশ না কমালেও যেন ৫ শতাংশ কমানো হয় সেটি আমাদের প্রত্যাশা ছিল।

কিন্তু এই বাজেটে সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়টি আমরা লক্ষ্য করলাম না। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। করপোরেট করকে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় বাধা উল্লেখ করে আসছে মুঠোফোন সেবাদাতারা। তবে উত্থাপিত বাজেটে পাবলিকলি ট্রেডেড মোবাইল অপারেটরদের

ক্ষেত্রে নির্ধারিত ৪০ শতাংশ; পাবলিকলি ট্রেডেড নয় এমন অপারেটরদের ৪৫ শতাংশ করপোরেট কর হার অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে হ’তাশ অপারেটররা। রবির হেড করপোরেট অ্যান্ড রেগু’লেটরি অ্যাফেয়ার্স সাহেদ আলম

বলেন, ন্যূনতম কর”পোরেট কর এটা আমাদের অনেক দিনের দাবি। আমরা মনে করি এটা সম্পূর্ণ একটি অযাচিত কর। এটাকে যাতে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করে দেওয়া হয় সেই আশা আমরা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *