ভারত চীন সীমান্তে উত্তেজনা : সীমান্তে শান্তি চায়না চীন সরকার !

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পূর্ব লাদাখ সেক্টরে চীনের সাথে ভারতের সামরিক অচলাবস্থা ছিল। গালওয়ান উপত্যকা এবং অন্যান্য এলাকায় সৈন্যদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে। নতুন করে অস্ত্র সমাবেশ করে বেইজিং ভারত সীমান্ত শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে বাধা দিচ্ছে।

গত সপ্তাহে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছিলেন, ‘সীমান্ত উত্তেজনার পর চীনের সাথে ভারতের সম্পর্ক চৌরাস্তায় রয়েছে। চীন ঐকমত্য মেনে চলবে কিনা তার ওপর নির্ভর করবে এর দিক।’

বেশ কয়েক দফা কূটনৈতিক ও সামরিক আলোচনার পর ভারত ও চীন লাদাখের প্যাংগং সো হ্রদ এলাকা থেকে সৈন্য সরিয়েছে। উভয় পক্ষ গোগ্রা হাইটস, হট স্প্রিংস এবং ডেপসাং সমভূমির আরও তিনটি সংঘর্ষ প্রবণ পয়েন্টে বিচ্ছিন্নতা নিয়ে আলোচনা করছে।

গ্লোবাল টাইমসের উদ্ধৃতি দিয়ে এশিয়া টাইমস জানিয়েছে, চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ‘মোবাইল হিট অ্যান্ড রান ফায়ারিং পজিশন’ পরিচালনার জন্য নতুন স্বচালিত দ্রুত-ফায়ার মর্টার মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে।’প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৫-১৬ জুন লাদাখে সহিংস মুখোমুখি সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন ভারতীয় সৈন্য প্রাণ হারায়।সূত্র: এএনআই

নতুন করে চীনের উপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা!

কোম্পানিটি জোর করে শ্রম আদায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চীনা ডালিয়ান ফিশিং কোম্পানি থেকে আর কোনো সামুদ্রিক খাবার কিনবে না মার্কিন কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি)।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সেক্রেটারি আলেজান্দ্রো এন মেয়রকাস ঘোষণা করেছেন, ‘মার্কিন কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) ডালিয়ান ওশান ফিশিং কোং লিমিটেডের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।’

মেয়রকাস বলেছেন, ‘যে সংস্থাগুলি তাদের কর্মীদের শোষণ করে তাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা করার কোনও জায়গা নেই। জোর পূর্বক শ্রম থেকে তৈরি পণ্য কেবল শ্রমিকদের শোষণ করে না, বরং আমেরিকান ব্যবসাগুলিকে আঘাত করে এবং ভোক্তাদের অনৈতিক কেনাকাটার সম্মুখীন করে।’

সিবিপির এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সিবিপি শারীরিক সহিংসতা, মজুরি বন্ধ রাখা এবং অপমানজনক কাজ ও জীবনযাপনসহ তদন্তের সময় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার জোরপূর্বক শ্রমের সূচকের ১১টিই চিহ্নিত করেছে।

কিছু বিদেশি কোম্পানি বাজার মূল্যের নিচে পণ্য বিক্রির জন্য জোরপূর্বক শ্রমকে কাজে লাগায় এবং ভোক্তাদের অনৈতিক কেনাকাটার দিকে পরিচালিত করে।’উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার অনুমান, বিশ্বব্যাপী জোরপূর্বক শ্রমের শিকার ২৫ মিলিয়ন শ্রমিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *