মিনিটে কয়েকশ গুণ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ক্ষমতা আছে হামাসের !

হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার বলেছেন, তারা গাজা থেকে ইসরায়েল অভিমুখে মিনিটে ২০০ কিলোমিটার পাল্লার কয়েকশ’ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সক্ষমতা রাখেন।বুধবার গাজায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানিয়ে বলেন, ‘সাম্প্রতিক গাজা যুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর সামান্যই ক্ষতি হয়েছে।’

সিনওয়ার বলেন, ‘যুদ্ধের শেষের দিকে ইসরায়েলি আগ্রাসন কার্যকরভাবে বন্ধ করে দেয়ার জন্য হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন আল-কাসসাম ব্রিগেডস একসঙ্গে ৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

কিন্তু যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় সে পরিকল্পনা বাতিল করা হয়।’হামাসের শীর্ষস্থানীয় এ নেতা আরও বলেন, ‘গাজা-ভিত্তিক প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো অবস্থানে বিশেষ করে হামাসের সমরাস্ত্র ভাণ্ডারে হামলা চালাতে ইসরায়েল ব্যর্থ হয়েছে।’

গাজায় হামাসের নির্মিত টানেলগুলো ধ্বংস করার ইসরায়েলি দাবিও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।হামাসের এই নেতা বলেন, ‘গাজায় আমাদের নির্মিত ৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি লম্বা টানেল রয়েছে এবং ইসরায়েল সর্বোচ্চ মাত্র ৫ শতাংশ টানেলের ক্ষতি করতে পেরেছে।’

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আতঙ্কের মধ্যেই ভারতে এবার নতুন ছত্রাকের হানা!

উঠে আসছে সাদা বা হলুদ ছত্রাকের সংক্রমণের প্রসঙ্গও। কিন্তু এবার শোনা গেল আরও এক ধরনের ছত্রাকের সংক্রমণের কথা। অ্যাসপারজিলাস নামের ওই ছত্রাক থেকে অ্যাসপারজিলোসিস নামের সংক্রমণ হয়। এবার করোনা রোগীদের মধ্যে এই সংক্রমণও ধরা পড়ল।

কালো ছত্রাকের মতো এই ছত্রাকের সংক্রমণও সাধারণভাবে দেখা যাচ্ছে সুস্থ হয়ে ওঠা করোনা রোগীদের মধ্যে। বৃহস্পতিবার গুজরাটে এই ধরনের ৮টি সংক্রমণ ধরা পড়ার কথা জানা গেছে।

কতটা বিপজ্জনক এই সংক্রমণ? চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কালো ছত্রাকের মতো প্রাণঘাতী না হলেও অবহেলা করলে এই সংক্রমণ থেকেও মৃত্যু হতে পারে। বারোদার এক করোনা বিশেষজ্ঞ ডা. শীতল মিস্ত্রি জানিয়েছেন,

“এই সংক্রমণ যারা কোভিড সংক্রমণ থেকে সেরে উঠেছেন কিংবা এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে নতুন এই ছত্রাকের সংক্রমণ। তবে অ্যাসপারজিলোসিস ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের মতে প্রাণঘাতী নয়। কিন্তু এটার থেকেও মৃত্যু হতে পারে।”

এমনিতে অ্যাসপারজিলাস ছত্রাক খুব সাধারণ একটি ছত্রাক। কিন্তু শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে এই ছত্রাকই বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

কেন এই ধরনের নানা রকম ছত্রাক সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে করোনা রোগীদের মধ্যে? বিশেষজ্ঞরা করোনা চিকিৎসায় স্টেরয়েডের ব্যবহারকেই দায়ী করছেন। তাদের মতে স্টেরয়েডের অপরিমিত ব্যবহারই বিপদ ডেকে আনছে।

বহু চিকিৎসকই করোনা চিকিৎসায় স্টেরয়েডকে ‘ম্যাজিক ওষুধ’ হিসেবে ব্যবহার করলেও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এটির প্রয়োগ ঠিকমতো চিন্তাভাবনা করেই করা উচিত। সূত্র:ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *