তুরস্ক, মিশর, ইরান এবং সৌদির পারস্পরিক সুসম্পর্ক ফিলিস্তিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ : হামাস

তুরস্ক, মিশর, ইরান এবং সৌদির পারস্পরিক সুসম্পর্ক ফিলিস্তিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন ফিলিস্তিন ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়া।

মিশর, ইরান এবং সৌদি আরবের সাথে তুরস্কের পারস্পরিক সুসম্পর্ক মুসলিম বিশ্ব এবং ফিলিস্তিনের স্বার্থে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে উল্লেখ করে ফিলিস্তিনের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তুর’স্কসহ উল্লেখিত দেশগুলোকে তারা এই অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে।

সোমবার (২৪ মে) তুরস্কের দৈনিক হা’বের তুর্ককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন। ইসমাইল হানিয়া বলেন, ফিলিস্তিনিরা মিশরের সাথে তুরস্কের সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠাকে সমর্থন করে। ফি’লিস্তিন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ

আব্বাসের ২২ মের নির্বাচন স্থগিত করে দেওয়ার ব্যাপারে হামাসের এই নেতা বলেন, তারা চান অতিদ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কেননা এই প’দক্ষেপ ফিলিস্তিনের অভ্যন্তরীণ বি’রোধের অবসান ঘটাবে। তাছাড়া, নির্বাচনে

জয়ী হলেও হামাস যৌথ সরকার গঠন করবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতা গ্রহণ করে ফিলিস্তিনকে নিজেদের আয়ত্তে আনা হা’মাসের উদ্দেশ্য নয় উল্লেখ করে দলটির রাজনৈতিক শাখার প্রধান

বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার পর আমাদের সর্বপ্রথম লক্ষ্য হবে আমাদের দখলকৃত ভূখ”ণ্ডগুলোকে সবার আগে মুক্ত করা। ইহুদিবাদী অ’বৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের সাথে কতিপয় আরব রাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণকে ইসরাইলী

দখলদারিত্বকে তাদের বৈ”ধতা প্রদান বলেও আখ্যায়িত করেন তিনি। উল্লেখ্য, ইহুদিবাদী স”ন্ত্রাসীদের অ’বৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুদান, মরক্কো এবং বাহরাইন গত বছর

আমেরিকার মধ্যস্থতায় ইউএস ব্রোকার্ড চুক্তিতে সই করে। তাছাড়া, সম্প্রতি ফিলিস্তিন উচ্ছেদ ষ’ড়’যন্ত্র, পবিত্র আল আকসায় নামাজরত ফিলিস্তিনিদের উপর সশ’স্ত্র আ’ক্রমণ ও গাজায় বিমানযোগে বো’মা হা’মলার মাধ্যমে ঘরবাড়ি

ধ্বং”স করে আন্তর্জাতিক আইন ও মা’নবাধিকার ল’ঙ্ঘনে নিজেদের আগের সব রেকর্ড ভেঙ্গে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নৃ’শং’সতা এবং বর্বরতা প্রদর্শন করে এই ইহু’দিবাদী স’ন্ত্রাসী’রা। যাদেরকে সরাসরি স”মর্থন দিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম সমালোচনার শিকার হয়েছে বিশ্বের তথাকথিত অভিভাবক

আমেরিকা ও তাদের দোসররা। ফিলিস্তিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী শুধুমাত্র ১০ মে থেকে শুরু হওয়া ইহু’দিবাদী ইস’রাইলের বো’মা হা’মলাতেই পশ্চিম তীরসহ দখ’লকৃত পুরো ফিলিস্তিনে ৬৬ শিশু ও ৩৯ জন

নারীসহ মোট ২৭৯ জন ফিলিস্তিনি শহীদ হোন। সম্প্রতি ইহুদিবাদী ইসরাইল ন’তিস্বীকার পূর্বক যু’দ্ধবিরতি চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য হলে মিশরের মধ্য’স্থতায় হামাস ও

ইহুদিবাদী ইসরাইলী কর্তৃপক্ষ উভয়েই যু’দ্ধবিরতি চুক্তি সই করে এবং ফিলিস্তিনে যু’দ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়। যদিও বি’শ্বা’সঘা’তক ইসরাইলী স’ন্ত্রা’সীরা পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাসে এখনো তাদের নৃশংসতা জারি রেখেছে! সূত্র: ইয়েনি শাফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *