বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি’র সাথে দুই বছরের সম্পর্ক ছিল মুনিয়ার

রাজধানীর গুলশানে ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়া নামের তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের সঙ্গে দুই বছরের সম্পর্ক ছিল মুনিয়ার। ইফতার পার্টির একটি ছবি ফেসবুকে আপলোড করা হলে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়।

মামলার বরাত দিয়ে গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘মেয়েটির সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের সম্পর্ক দুই বছরের। আনভীর এক বছর মেয়েটিকে বনানীর ফ্লাটে রাখেন। পরে আনভীরের সঙ্গে মনোমালিন্য হলে তিনি কুমিল্লায় চলে যান। তবে মার্চ মাসে ঢাকায় এসে গুলশানের ওই ফ্লাটে থাকা শুরু করেন।’

তিনি বলেন, ‘২৩ এপ্রিল একটি ইফতার পার্টি হয় ওই বাসায়। ওই পার্টির ছবি ফেসবুকে আপলোড করা হলে মেয়েটির সঙ্গে আনভীরের মনোমালিন্য হয়। পরে মেয়েটি তার বোনকে ফোন করে জানান, যে কোনো মুহূর্তে তার যে কোনো ঘটনা ঘটতে পারে।’

এ ঘটনায় রাত ৩টার দিকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে দায়ী করে মামলা দায়ের করেছেন ঐ তরুণীর বোন নুসরাত জাহান।

নিহত মুনিয়ার বাড়ি কুমিল্লা সদরের দক্ষিণপাড়া উজির দিঘী এলাকায়। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান। মুনিয়া রাজধানীর একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার পরিবার গ্রামেই থাকে। তিনি ওই ফ্ল্যাটে একা থাকতেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *