হঠাৎ করে আবার লকডাউন ঘোষণা: পালিত হবে আগের থেকেও আরও কঠিন ভাবে

কোভিড-১৯ সংক্রমণ বৃদ্ধির বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে চলমান লকডাউনের বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও সাত দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ৫ মে পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ বহাল থাকবে।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আয়োজনে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, কোভিড-১৯ বিস্তার রোধে চলমান বিধি-নিষেধ আরও এক সপ্তাহ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার প্রথমে ৫ এপ্রিল গণপরিবহন ও অফিস-আদালত চালু রেখে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করেছিল। পরে তা আরও দুদিন বাড়ানো হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন দেওয়া হয় দেশব্যাপী। এরপর ২২ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়। এতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এই মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল সরকার।

লকডাউনের চলমান পরিস্থিতি আরো এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ৫ মে মধ্যরাত পর্যন্ত বর্তমান অবস্থায় চলবে। দোকানপাট খোলা থাকবে। ব্যক্তিগত গাড়ি-ঘোড়া চলাচল করবে। কিন্তু গণপরিবহন ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

আজ সোমবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র কালের কণ্ঠকে জানান, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে এখনো স্বস্তির জায়গায় নেই।

তাই এই মুহূর্তে খুব কঠোর বা একেবারে খোলামেলা- কোনো দিকেই যেতে পারছে না সরকার। তাই বর্তমানে দোকানপাট খোলা রাখে যে পরিস্থিতি চলছে; সেই পরিস্থিতিতে আরো এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

আজকের বৈঠকে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারাসহ বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লিখিত সিদ্ধান্তের ব্যতিক্রম না হলে আজ বিকেলের মধ্যেই এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *