খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান রিপোর্টে যা ধ’রা পড়েছে

দু’র্নীতির মা’মলায় সা’জাভো’গ করার মধ্যেই সরকারের নির্বাহী আ’দেশে মু’ক্তি পেয়ে হাসপাতাল ছেড়ে গুলশানের বাসায় যান বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া। গত বছরের ২৫ মার্চ বাসায় ফেরার পর ক’রোনার প্র’কোপের মধ্যে আর বের হননি সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

তবে নিজে ক’রোনা আ’ক্রান্ত হওয়ায় চিকিৎসকের পরাম’র্শে সিটি স্ক্যান করার জন্য হাসপাতালে গেলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এই ত’থ্য নিশ্চিত করেন। কারাব’ন্দি হওয়ার ২৫ মাস পর তিনি শ’র্তসাপেক্ষে গত বছরের ২৫ মার্চ মু’ক্তি পান। সে হিসেবে ৩৮৬ দিন পর তিনি বাসা থেকে বের হলেন।

খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দু’র্নীতির মা’মলায় সা’জা ভো’গ করছেন। শারীরিক নানা সম’স্যা নিয়ে তিনি প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত রবিবার খালেদা জিয়ার ক’রোনা শ’নাক্ত হয়। পরে চিকিৎসকরা একাধিকবার পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে জানিয়েছেন তার শরীরে ক’রোনার কোনো উপ’সর্গ নেই। বাড়তি স’তর্কতা হিসেবে ক’রোনায় আ’ক্রান্তদের যে ধরনের পরীক্ষা করতে হয় তা করা হয়েছে খালেদা জিয়ার। যার রিপোর্ট হাতে পৌঁছেছে চিকিৎসকদের।

খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন তাঁর চিকিৎসক দলের সদস্য প্রফেসর ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘সিটি স্ক্যানের প্রভিশনাল রিপোর্ট অনুযায়ী তাঁর ফুসফুসে সংক্র’মণ খুবই কম।

স্ক্যানে যেটি ধ’রা পড়েছে, অত্যন্ত মিনিমাম, মাইল্ড পর্যায়েও পড়ে না। যে কারণে তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন।’ বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সিটি স্ক্যান শে’ষে খালেদা জিয়া তাঁর বাসভবনে ফেরার পর সাংবাদিকদের সিটি স্ক্যানের প্রাথমিক প্রাপ্তি সম্পর্কে অবহিত করেন ডা. জাহিদ।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানের যে প্রভিশনাল রিপোর্ট সেটাও আমরা পেয়েছি। আ’লহামদুলিল্লা’হ, সিটি ফাইন্ডিং ক্লিনিক্যালি অত্যন্ত মিনিমাম। সেটার জন্য যা প্রয়োজন, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

আলোচনার পর যা যা যোগ করতে হয়, করা হবে। এখন সার্বক্ষণিকভাবে তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবে’ক্ষণ করতে হবে। আগামী দুই সপ্তাহ আমাদের মনোযোগ থাকবে। আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে দো’য়া চাই, দেশনেত্রী যেন আজকের অবস্থা থেকে অতিদ্রু’ত মু’ক্তি পান।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সিটি স্ক্যানে যেটি ধ’রা পড়েছে, অত্যন্ত মিনিমাম, স’ত্যিকার অর্থে মাইল্ড পর্যায়েও পড়ে না। হাসপাতাল ক’র্তৃপক্ষ শুক্রবার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দেবে। আমরা সবাই মিলে, ম্যাডামের চিকিৎসক টিম, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ বিদেশি অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে আলোচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।’

খালেদা জিয়া শ’ঙ্কামু’ক্ত কি না জানতে চাইলে ডা. জাহিদ বলেন, মাত্র এক সপ্তাহ হলো, ক’রোনার ক্ষেত্রে ১২/১৩ দিনের আগে কিছু বলা যায় না। তবে সিটি স্ক্যানের প্রভিশনাল রিপোর্ট খুবই ভালো। এটা মাইল্ড পর্যায়ে আছে। পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়ায় পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *