হটাৎ তুরস্ককে বন্ধু রাশিয়ার হুশিয়ারী !

রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেন সরকার ‘অনন্তকাল ধরে’ যুদ্ধ চালানোর মানসিকতা পোষণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। সেই সঙ্গে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ায় তুরস্ক সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে রাশিয়া।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) মিশরের রাজধানী কায়রো সফরের সময় ল্যাভরভ এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।ইরানের গণমাধ্যম পার্সটুডে জানায়, এ দিকে রুশভাষী দনবাস এলাকায় ইউক্রেন সরকার নতুন করে সামরিক অভিযান চালাতে পারে বলে জোরালো জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ তুরস্ককে এবং ইউক্রেন ইস্যুতে জড়িত গেরিলা-বিরোধী সমস্ত দেশকে সতর্ক করেন। তিনি বলেছিলেন, ইউক্রেন তার নিজের জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।

এর আগে শনিবার (১০ এপ্রিল) তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কিকে ইস্তাম্বুলে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে তিনি গেরিলা-বিরোধী লড়াইয়ে ইউক্রেনকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আমিরাতকে ৩০০ কোটি ডলারের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামিক রাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে দুই হাজার ৩০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের জো বাইডেনের প্রশাসন। বিপুল এই অংকের অস্ত্র চালানের মধ্যে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ জঙ্গিবিমান এবং আর্মড ড্রোনের নামও রয়েছে।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে মার্কিন সরকার সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পর্যালোচনা ও পরামর্শ করছে। এসব অস্ত্র আমিরাত সরকার কোথায় ব্যবহার করবে তা জানার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।

বাইডেন নেতৃত্বাধীন প্রশাসন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্মতিতে হওয়া বেশকিছু চুক্তি পর্যালোচনার জন্য রেখেছিল। ট্রাম্প প্রশাসন গত নভেম্বরে কংগ্রেসকে জানায়, আরব আমিরাতে অস্ত্র বিক্রি করতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সম্মত হওয়ায় আমিরাতকে অস্ত্র দিতে রাজি হয় ট্রাম্প প্রশাসন।কিন্তু জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথগ্রহণের পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের শেষ সময়ে আমিরাতের সঙ্গে সই হওয়া চুক্তি পর্যালোচনার জন্য স্থগিত করে।

চুক্তিটি কার্যকর হলে আরব আমিরাত ৫০টি এফ-৩৫ জঙ্গিবিমান ও ১৮টি এমকিউ-৯বি ড্রোন পাবে। এছাড়া, আকাশ থেকে আকাশে ও ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপ যোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে। ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে কথিত শান্তি চুক্তি সই করার পরপরই তৎকালীন ট্রাম্প প্রশাসন সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে এসব অস্ত্র বিক্রির উদ্যোগ নেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *