ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানের প্রথম প্রতিশোধ শুরু !

সংযুক্ত আরব আমিরাত উপকূলে ইসরায়েলের মালিকানাধীন ফার্মের একটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) ইরানি মিডিয়া ও ইসরায়েলের টেলিভিশনে তথ্যটি জানানো হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম

আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলার একদিন পর এই ঘটনা ঘটল।এছাড়া ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি পুনর্বহাল নিয়ে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরান ও বৈশ্বিক শক্তির আলোচনা চলমান রয়েছে।

ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ অজ্ঞাত ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে হামলার জন্য চিরশত্রু ইরানকে দোষারোপ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং জাহাজের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় জাহাজটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবরে বলা হয়েছে।

দুটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা সোর্সের বরাতে রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরের নিকট এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার ফলে একট বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহত হয়নি।

ইসরায়েলের প্রধানমনন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দপ্তরের কর্মকর্তারা এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে সম্মত হয়নি। ইসরায়েলের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঘটনা সম্পর্কে তারা অবহিত আছেন কিন্তু তারা শতভাগ নিশ্চিত নন। এছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

লেবানন ভিত্তিক আল-মায়েদিন টেলিভিশন চ্যানেল ইসরায়েলের জাহাজটিকে ‘হাইপেরিয়ান’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। জাহাজ ট্রাকিং ডাটা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, বাহামা পতাকা শোভিত জাহাজটি

কুয়েত থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরে যাচ্ছিল। এছাড়া লেবাননের ‘ইউনিউজের’ খবরে বলা হয়েছে, জাহাজটি ‘গাড়ি’ পরিবহন করছিল এবং কুয়েতের মিনা আল আহমাদী বন্দর থেকে ৪৮ ঘন্টা আগে রওনা দিয়েছিল।

যুক্তরাজ্যের ম্যারিটাইম ট্রেড অপারেশন (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, এক উপদেষ্টা নোটিশের মাধ্যমে তারা ফুজাইরাহ বন্দরের ঘটনা সম্পর্কে অবহিত হয়েছেন এবং তাদের তদন্ত চলমান রয়েছে।

গত মাসে ভূমধ্যসাগরে ইরানের একটি জাহাজে হামলা চালানো হয় ওই হামলায় জাহাজটি অচল হয়ে যায়। ইরান ঘটনার জন্য ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলকে দায়ী করেছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *