মামুনুল হকের স’ঙ্গে স’ম্পর্ক, ঝর্ণার বাবাকে আ.লীগের নোটিশ প্রদান!

বি’তর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না হেফাজতে ই’সলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের। নারায়ণগঞ্জে এক না’রীসহ অবরু’দ্ধ হওয়ার পর থেকে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। যা এখনও চলছে।

এবার সেই আলোচনা-সমালোচনার আগুনে ঘি ঢাললেন মামুনুল হক নিজেই। নারায়ণগঞ্জে রিসোর্টের ঘ’টনার পর থেকেই সঙ্গে থাকা না’রীকে দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসা মাওলানা মামুনুল হক এবার করেছেন তৃতীয় বিয়ের দা’বি!

এক বছর আগে গাজীপুরের কাপাসিয়ার বাসিন্দা এক না’রীকে তিনি বিয়ে করেন বলে ওই না’রীর ভাইকে জানান মামুনুল। বিষয়টি নিয়ে ওই না’রীর ভাই শাজাহান সাজু সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘মোহাম্ম’দপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় ডেকে নিয়ে মামুনুল হক আমার বোনকে বিয়ে করার কথা জানান। এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাম্প দেখিয়েছেন তিনি। তবে এটি কাবিননামা নয়।’

বিষয়টি নিয়ে মামুনুল হকের স’ঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি গ’ণমাধ্যমের সাথে কোনো কথা বলেননি। মোবাইলে ক্ষুদেবার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

এদিকে মামুনুল হকের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার বাবাকে কারণ দ’র্শানোর নোটিশ দিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। সোমবার (১২ এপ্রিল) ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজে’লার গোপালপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি মো. মোনায়েম খান ও সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে তাকে কেন পদ থেকে অ’ব্যাহতি দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

ঝর্ণার বাবা ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজে’লার গোপালপুর ইউনিয়নের কামারগ্রামের মু’ক্তিযো’দ্ধা মো. ওয়ালিয়ার রহমান ওরফে ওলি মিয়া। ওয়ালিয়ার রহমান ২ নম্বর গোপালপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড কামারগ্রাম আওয়ামী লীগের সভাপতি।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ‘আপনি মো. ওয়ালিয়ার রহমান, গোপালপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। আপনার বড় জামাতা মো. হাবিবুর রহমান, মেজো জামাতা অর্থাৎ জান্নাত আরা ঝর্ণার সাবেক স্বামী মো. জাফর শহিদুল ই’সলাম এবং বর্তমান স্বামী মো. মামুনুল হকসহ সবাই উ’গ্রপ’ন্থী ই’সলামী সংগঠনের (হেফাজতে ই’সলাম) স’ঙ্গে জ’ড়িত।

আপনার মেয়ে জান্নাত আরা ঝর্ণা অ’বৈধ কা’র্যকলাপে লি’প্ত। এমনকি আরও জানা যায় যে, আপনার স্ত্রীও জা’মায়াতপ’ন্থী। আপনি হেফাজতে ই’সলামের স’ঙ্গে পরিবারের সংশ্লিষ্টতার বিষয় কখনও দলীয় নেতাদের জানাননি। তাই এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সাংগ’ঠনিক কর্মপ’রিকল্পনা প্র’কাশ হওয়ার আ’শঙ্কা রয়েছে।’

নোটিশে এ অবস্থায় ওয়ালিয়ার রহমানকে কেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ থেকে সাময়িকভাবে কেন ব’হিষ্কার করা হবে না, তার স্বপক্ষে সাত কর্মদিবসের মধ্যে স’ন্তোষজনক জবাব দেওয়ার জন্য বলা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *